টানা ছয় কার্যদিবস উত্থানের পর চলতি সপ্তাহের শেষদিনে (বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই) দেশের বড় শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স পতনের বৃত্তে বাঁক নিয়েছে। এদিনে লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দর সংশোধন হয়েছে। আর এই দর সংশোধনের দিনে কমেছে ঢাকার এই শেয়ারবাজারে লেনদেনের পরিমাণও।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, টানা কয়েকদিনের উত্থানে অনেকগুলো শেয়ারের দাম বিনিয়োগকারীদের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছেছে। এতে আজ সপ্তাহের শেষদিনে অনেকে মুনাফা তুলেছেন। তবে, আজকের এই দর সংশোধনের ফলে আগামী সপ্তাহে নতুন করে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হলো বলে মনে করছেন অনেকে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ডিএসইতে মোট ৩৯৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৬৩টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ১৮৫টির দাম। আর দিনশেষে ৪৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
বেশি সংখ্যক সিকিউরিটিজের দাম কমায় আজ ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৯ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৭৪৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর বাছাই করা ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১৬২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। তবে ডিএসইর শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস শূন্য দশমিক ৮০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৬৯ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে।
ঢাকার এই শেয়ারবাজারে আজ মোট ১ হাজার ৪৩৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৫৭৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক কার্যদিবসের ব্যবধানে লেনদেন ১৩৪ কোটি ১১ লাখ টাকা কমেছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া মোট ২৩১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে ১১০টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ৯৪টির দাম এবং ২৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। দিনের লেনদেন শেষে এক্সচেঞ্জটির সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৪২ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৪০৮ পয়েন্টে নেমে এসেছে।
এই বাজারে মোট ৬০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা।
এমএমএইচ/এসএম
