দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নিম্নমুখী প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন এক্সচেঞ্জটির লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। এতে তিনটি সূচকের মধ্যে প্রধান মূল্যসূচকসহ দুটি সূচকে পতন হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকার এই শেয়ারবাজারে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, মঙ্গলবার লেনদেন শুরুর প্রথম দুই ঘণ্টা সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও দুপুর ১২টার পর তা নিম্নমুখী হতে থাকে। এরপর একে একে অনেকগুলো সিকিউরিটিজ দাম বাড়ার তালিকা থেকে কমার তালিকায় যুক্ত হয়। দিনশেষে দাম বাড়ার থেকে কমার তালিকা বড় থেকে লেনদেন শেষে হয়। এতে প্রধান সূচক ও বাছাই করা শেয়ারের সূচক পয়েন্ট হারায়।
আজ ডিএসইতে মোট ৩৯০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১৬০টির দাম বাড়ার বিপরীতে কমেছে ১৮০টির দাম। আর ৫০টির দাম দিনশেষে অপরিবর্তিত রয়েছে।
বেশি সংখ্যক সিকিউরিটিজের দাম কমায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৮ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৭৮১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর বাছাই করা ৩০টি ভালো শেয়ারের সমন্বয়ে গঠিত ডিএস-৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট ২ হাজার ১৮২ ৮৪ পয়েন্টে নেমেছে। তবে ডিএসইর শরিয়াহভিত্তিক কোম্পানির সূচক ডিএসইএস প্রায় ২ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৮৫ পয়েন্টে উঠেছে।
ডিএসইতে আজ মোট ১ হাজার ৩৮৮ কোটি ৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৪১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। সে হিসেবে এক দিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ২৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) লেনদেনে আজ ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট অংশ নেয়। এর মধ্যে ১২৩টির দাম বেড়েছে এবং কমেছে ১০৩টির দাম। আর ২৪টির দাম দিনশেষে অপরিবর্তিত রয়েছে।
আজ লেনদেন শেষে এক্সচেঞ্জটির সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ২৪ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ২১৪ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। এই বাজারে মোট ৩০ কোটি ৭৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
এমএমএইচ/এসএম
