চলতি ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিক (জানুয়ারি-মার্চ) আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক পিএলসির লোকসানের পরিমাণ আরও বেড়েছে। যদিও ২০২৫ সালে ব্যাংকটির লোকসানের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। তা সত্ত্বেও আলোচিত বছরের জন্য আগের বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ বঞ্চিত করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ব্যাংকটি সর্বশেষ কোন বছর শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিয়েছে, সেই তথ্যও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে হালনাগাদ নেই।
বুধবার (৮ জুলাই) ডিএসইর ওয়েবসাইটে ব্যাংকটির চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক ও ২০২৫ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের সার সংক্ষেপ প্রকাশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে গতবছরের জন্য লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদনের পাশাপাশি লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ব্যাংকটির প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩৬ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এই লোকসান হয়েছিল ১৫ পয়সা। সে হিসেবে বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির লোকসানের পরিমাণ অর্ধেকে নেমেছে। গত ৩১ মার্চ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩৬ পয়সা।
এদিকে ২০২৫ সালে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ২২ পয়সা। আগের বছর এই লোকসান ছিল ১ টাকা ৪২ পয়সা। আগের বছরের তুলনায় লোকসান কিছুটা কমেছে।
‘নো ডিভিডেন্ড’সহ অন্যান্য এজেন্ডা অনুমোদনের জন্য আগামী ২১ সেপ্টেম্বর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ সভায় অংশগ্রহণের যোগ্য শেয়ারহোল্ডার নির্ধারণে আগামী ২৮ জুলাই রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে।
১৯৯০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৬৬৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা। বর্তমানে ব্যাংকটির ৪৭ দশমিক ২৪ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) লেনদেন শেষে ব্যাংকটির শেয়ারদর ছিল ২ টাকা ৮০ পয়সা।
এমএমএইচ/এসএম
