বিজ্ঞাপন

মার্জিন বিধিমালার খসড়া সংশোধনীতে দুই সপ্তাহের মধ্যে মতামত আহ্বান

মার্জিন বিধিমালার খসড়া সংশোধনীতে দুই সপ্তাহের মধ্যে মতামত আহ্বান

পুঁজিবাজারে মার্জিন ঋণ সংক্রান্ত বিধিমালাকে আরও সহজ, বাস্তবসম্মত ও বিনিয়োগকারীবান্ধব করতে ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫’ এর খসড়া সংশোধনী প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

এ বিষয়ে অংশীজন ও সংশ্লিষ্ট সবার মতামত, পরামর্শ ও আপত্তি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কমিশনের কাছে জমা দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫’ এর খসড়া সংশোধনীর ওপর মতামত আহ্বান করে সোমবার (২০ জুলাই) একাধিক জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিএসইসি। একইসঙ্গে কমিশনের ওয়েবসাইটেও খসড়া সংশোধনী ও সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিএসইসি জানিয়েছে, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও অংশীজনরা কমিশনের কাছে লিখিতভাবে মতামত, পরামর্শ অথবা আপত্তি পাঠাতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন স্পষ্ট করেছে, সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স ১৯৬৯ এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ অনুযায়ী যেকোনো বিধিমালা প্রণয়ন বা সংশোধনের আগে অংশীজনদের মতামত গ্রহণ একটি স্বাভাবিক ও বাধ্যতামূলক আইনি প্রক্রিয়া। সেই আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই জনমতের জন্য খসড়া সংশোধনী প্রকাশ করা হয়েছে।

কমিশন জানিয়েছে, প্রাপ্ত মতামত, পরামর্শ ও আপত্তিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জনের পর বিধিমালার চূড়ান্ত সংস্করণ প্রস্তুত করা হবে। এরপর সরকারি গেজেটে প্রকাশের মাধ্যমে এটি কার্যকর করা হবে।

বিএসইসি আরও বলেছে, বর্তমানে প্রকাশিত নথিটি কেবল একটি খসড়া প্রস্তাবনা, এটি কোনো চূড়ান্ত সংশোধনী নয়। তাই খসড়া সংশোধনী নিয়ে অনুমাননির্ভর ব্যাখ্যা, অপপ্রচার বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্ত কিংবা উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

কমিশনের ভাষ্য, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ও সুরক্ষা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রস্তাবিত সংশোধনী তৈরি করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো বিদ্যমান মার্জিন বিধিমালাকে আরও সহজ, বাস্তবসম্মত, ব্যবহারবান্ধব ও কার্যকর করা। অংশীজনদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে এমন একটি চূড়ান্ত সংশোধনী প্রণয়ন করা হবে, যা হবে বিনিয়োগকারীবান্ধব এবং পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সহায়ক।

এছাড়া কমিশন সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে গঠনমূলক মতামত দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে গণমাধ্যমকে খসড়া সংশোধনী ও আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে উপস্থাপনের পাশাপাশি দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সমালোচনা করার অনুরোধ জানিয়েছে, যেন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি বা উদ্বেগের সৃষ্টি না হয়।

এমএমএইচ/জেডএস