কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানালেন সচিব

Dhaka Post Desk

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৬ জুলাই ২০২২, ১১:৪৮ পিএম


কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানালেন সচিব

কারিগরি শিক্ষা ও প্রযুক্তি হস্তান্তরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর ভূমিকা শীর্ষক ‘মোফা টেলিগ্রাম সিরিজ’-এর দ্বিতীয় ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

ওয়েবিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. কামাল হোসেন। এতে বিদেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর কর্মকর্তারা অংশ নেন।

‘মোফা টেলিগ্রাম সিরিজ’-এর মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর সঙ্গে দেশে বিদ্যমান বিভিন্ন সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও অন্যান্য বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অধিকতর মতামত বিনিময়ের জন্য উদ্যোগ নিয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন কার্যাবলী সম্পাদনে সমন্বয় করা সহজতর হবে। একইসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সহজেই সমাধান করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

টেলিগ্রাম সিরিজের এই ওয়েবিনারের শুরুতে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব তার বিভাগের কাঠামো, চলমান প্রকল্পগুলো, গৃহীত উদ্যোগগুলো ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কারিগরি শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এজন্য প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়াও সরকার বাংলাদেশের ১০০টি উপজেলায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন কারিগরি ট্রেনিং ইন্সটিটিউট নির্মাণ করছে।
 
সচিব আরও বলেন, নতুন চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নারী শিক্ষার বিস্তারে চারটি মহিলা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা উন্নয়নে তাদের বিভিন্ন ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করে হয়েছে।
 
তিনি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন, কারিগরি শিক্ষার কারিকুলামে প্রচলিত শিক্ষার সঙ্গে ইমার্জিং প্রযুক্তিগুলো যোগ করা, বিভিন্ন বৈদেশিক প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রশিক্ষণের বিষয়ে চুক্তি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়া সার্টিফিকেটগুলোর গ্রহণযোগ্যতার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মূল্যায়ন সার্টিফিকেট বাংলাদেশে প্রচলনের বিষয়ে আলোকপাত করেন। পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি বাংলাদেশে যথাযথভাবে বাস্তবায়নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর সাহায্য কামনা করেন।

ওয়েবিনার সঞ্চালনা করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি অনুবিভাগের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুন। এতে বাহরাইন, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইথিওপিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।

এএজে/এমএইচএস

Link copied