সাঁটলিপিকার-হিসাবরক্ষক থেকে শিক্ষা কর্মকর্তা, ৮২ কর্মচারীর ভাগ্যবদল

সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর, মুদ্রাক্ষরিক কিংবা হিসাবরক্ষকের মতো দাপ্তরিক পদ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার মর্যাদায় উন্নীত হলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ৮২ জন কর্মচারী। দাপ্তরিক অভিজ্ঞতার সঙ্গে বিএড ডিগ্রির সমন্বয়ে তারা এখন মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা প্রশাসনের তদারকি ও ব্যবস্থাপনার মূল স্রোতে যুক্ত হয়েছেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এই ৮২ জন কর্মচারীকে জাতীয় বেতন স্কেলের ১০ম গ্রেডে ‘সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার’ পদে পদোন্নতি দিয়ে দেশের বিভিন্ন উপজেলায় পদায়ন করা হয়েছে।
উপসচিব মুন্না রানি বিশ্বাসের সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) সচিবালয়ের ২০২৪ সালের সুপারিশের ভিত্তিতে ‘মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা-২০২১’ অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত এই ৮২ জন কর্মচারী এখন থেকে জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ১০ম গ্রেডে (১৬ হাজার -৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা) বেতন ও অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। তাদের নতুন পদবি দেওয়া হয়েছে ‘সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার’।
পদোন্নতি পাওয়াদের তালিকায় রয়েছেন মাউশি অধিদপ্তর ও বিভিন্ন আঞ্চলিক কার্যালয়ের সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর, সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক, বিভিন্ন সরকারি কলেজ ও বিদ্যালয়ের হিসাবরক্ষক, প্রধান সহকারী এবং উচ্চমান সহকারীরা।
প্রজ্ঞাপনে দেখা যায়, পদোন্নতিপ্রাপ্ত প্রত্যেকেরই স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রির পাশাপাশি দ্বিতীয় শ্রেণির বিএড ডিগ্রি রয়েছে।
কর্মস্থল পরিবর্তন ও নতুন দায়িত্ব পদোন্নতির সঙ্গে সঙ্গেই এই ৮২ জনকে দেশের বিভিন্ন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে পদায়ন করা হয়েছে।
আরএইচটি/জেডএস