মেধাবীদের পাশে ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন

ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশনের স্কলারশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের নিয়ে বর্ণাঢ্য স্কলারশিপ গেট-টুগেদার ও রিইউনিয়ন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
চাঁদপুরের বাবুরহাটে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে সম্প্রতি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ড্যাফোডিল গ্রুপ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, অনুপ্রেরণামূলক সেশন, পুরস্কার বিতরণ এবং উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ১৬ বছরে যাকাতভিত্তিক এ উদ্যোগের মাধ্যমে ১৬টি ব্যাচে ২৭৯ জন শিক্ষার্থীকে সহায়তা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে ৯০ জন শিক্ষার্থী সহায়তা পাচ্ছেন এবং ১৮৯ জন সফল অ্যালামনাইয়ের মধ্যে ১০২ জন এরইমধ্যে কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। এছাড়া শিগগিরই প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ১৭তম ব্যাচ শুরু হতে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান তরুণদের উদ্দেশে বলেন, ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট ও কর্মমুখী শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে এবং সেই দক্ষতা দিয়ে জাতি গঠনে এগিয়ে যেতে হবে।’
বিজ্ঞাপন
এ সময় তিনি ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশনের যাকাতভিত্তিক স্কলারশিপ কার্যক্রম সম্পর্কে বলেন, ‘এ কর্মসূচির মাধ্যমে এরই মধ্যে ১০২ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন পেশায় যুক্ত হয়ে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। এর মধ্যে ২৪ জন সরকারি চাকরিতে ও ৪০ জন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। এছাড়া ছয়জন উদ্যোক্তা হিসেবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন এবং আটজন বিদেশে কর্মরত বা উচ্চশিক্ষা নিচ্ছেন।’
ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, উদ্যোগটি শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বরং একটি কার্যকর মানবসম্পদ উন্নয়ন মডেল হিসেবে কাজ করছে। এ পর্যন্ত এই প্রকল্পে প্রায় ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত সহায়তা হিসেবে ৭ লাখ ১৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যের আগে একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশনের ১৬ বছরের অর্জন তুলে ধরা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তিনি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।
বিজ্ঞাপন
ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এ উদ্যোগকে আরো বিস্তৃত করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাজারো মেধাবী শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে একটি দক্ষ, স্বনির্ভর ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।