বিজ্ঞাপন

এখনো শেষ হয়নি প্রাথমিক বৃত্তির ফল তৈরি, কাজ চলছে আইএমডিতে

এখনো শেষ হয়নি প্রাথমিক বৃত্তির ফল তৈরি, কাজ চলছে আইএমডিতে

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশে আরও সময় লাগতে পারে। ফল প্রস্তুতের কাজ এখনও শেষ না হওয়ায় কবে নাগাদ ফল প্রকাশ করা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময় জানাতে পারছে না প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। বর্তমানে অধিদপ্তরের ‘তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ (আইএমডি) ফল প্রস্তুতের কাজ করছে। 

আজ (বৃহস্পতিবার) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা অফিসার (সাধারণ প্রশাসন) মো. আব্দুর রেজ্জাক সিদ্দিকী ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি বলেন, বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রস্তুতের কাজ বর্তমানে তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে (আইএমডি) প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সেখান থেকে চূড়ান্ত তথ্য পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কমিটির সভা, অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ফল প্রকাশ করা হবে। এ মুহূর্তে নির্দিষ্ট কোনো তারিখ জানানো সম্ভব নয়।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আইনি জটিলতার কারণে কয়েক দফা পিছিয়ে নির্ধারিত সময়ের প্রায় চার মাস পর গত ১৫ এপ্রিল বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয়। ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে এবারের পরীক্ষা শেষ হয়।

এবারের পরীক্ষায় ৬ লাখ ৪০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ এবং বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (কিন্ডারগার্টেন) প্রায় ৯০ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে।

এবার মেধা ও জেলা-উপজেলাভিত্তিক কোটায় মোট ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৬ হাজার এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের ১৬ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তির আওতায় আসবে।

শিক্ষার্থীদের দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি দেওয়া হবে। ট্যালেন্টপুলে (মেধাবৃত্তি) বৃত্তি পাবে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী এবং সাধারণ কোটায় বৃত্তি পাবে ৪৯ হাজার ৫০০ জন। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা করে পাবে। এ ছাড়া উভয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বছরে এককালীন ২২৫ টাকা করে আর্থিক সুবিধা পাবে। পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ হওয়ার পর পরবর্তী দুই বছর তারা এই সুবিধা ভোগ করবে। 

আরএইচটি/আরএফ/এনএফ