বিজ্ঞাপন

উপবৃত্তির আওতায় আসছে আরও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

উপবৃত্তির আওতায় আসছে আরও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন বিভিন্ন স্তরের কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে চলমান উপবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ ক্রয় সহায়তা কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এই কার্যক্রমে যে সকল সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো অন্তর্ভুক্ত হয়নি বা ডিটিই স্টাইপেন্ড এমআইএস পোর্টালে নিবন্ধিত নেই, তাদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। 

সম্প্রতি কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের উপবৃত্তি সেল থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত নিম্ন মাধ্যমিক ভোকেশনাল বা নিম্ন মাধ্যমিক দাখিল ভোকেশনাল (৬ষ্ঠ-অষ্টম শ্রেণি), এসএসসি (ভোকেশনাল), দাখিল (ভোকেশনাল), এইচএসসি (ভোকেশনাল), এইচএসসি (বিএমটি) এবং চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্স পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ এই অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাবে। তবে যে সব প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে ডিটিই স্টাইপেন্ড এমআইএস-এ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তাদের নতুন করে আবেদন করার কোনো প্রয়োজন নেই।

আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘উপবৃত্তি নির্দেশিকা-২০২৩’ এর পরিশিষ্ট ‘খ’ অনুযায়ী নির্ধারিত আবেদন ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আগামী ২৫ জুন থেকে ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে স্ব-স্ব আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়ে দুই প্রস্থ হার্ডকপি জমা দিতে হবে।

আবেদনের সঙ্গে যেসব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে আবেদনের সঙ্গে প্রতিষ্ঠান প্যাডে আলাদা আবেদনপত্রসহ পূরণকৃত নির্ধারিত ফরম, প্রতিষ্ঠান স্থাপনের অনুমোদনের কপি (যদি থাকে), প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন কোড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড প্রদত্ত প্রতিষ্ঠান কোডের প্রমাণক জমা দিতে হবে। 

একইসঙ্গে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পাঠদানের অনুমোদনের কপি এবং হালনাগাদকরণের কপি অথবা এফিলিয়েশন ফি পরিশোধের প্রমাণক অথবা বিভিন্ন সময়ে ট্রেড বা টেকনোলজি সংযোজনের প্রমাণক হিসেবে জমা দিতে হবে। 

জানানো হয়েছে, আঞ্চলিক পরিচালকরা প্রাপ্ত আবেদন ও নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করবেন। এরপর নির্দিষ্ট ছক অনুযায়ী নিজস্ব মতামত ও সুপারিশসহ আবেদনের এক প্রস্থ হার্ডকপি আগামী ১০ আগস্টে ঢাকার কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ করবেন।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, আবেদন সংক্রান্ত যাবতীয় বিস্তারিত তথ্য ও নির্দেশিকা অধিদপ্তরের নিজস্ব ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। নির্ধারিত শেষ সময় অর্থাৎ ৩০ জুলাইয়ের পর প্রাপ্ত কোনো আবেদন কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। 

আরএইচটি/বিআরইউ