বিজ্ঞাপন

টাইমস হায়ার এডুকেশন ইমপ্যাক্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশে তৃতীয় গ্রিন ইউনিভার্সিটি

টাইমস হায়ার এডুকেশন ইমপ্যাক্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশে তৃতীয় গ্রিন ইউনিভার্সিটি

গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (জিইউবি) যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক শিক্ষা মূল্যায়ন সংস্থা টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) প্রকাশিত ‘সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিংস ২০২৬’-এ বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৩য় স্থান অর্জন করেছে। একই সঙ্গে বিশ্বের ১১৬টি দেশের ১,৬৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে জিইউবি বৈশ্বিকভাবে ৪০১–৬০০ ব্যান্ডে স্থান লাভ করেছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান ছিল ৬০১–৮০০ ব্যান্ডে।

টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম বাস্তবায়নে দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের ফল হিসেবেই গ্রিন ইউনিভার্সিটি এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। সবুজ ক্যাম্পাস, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং সমাজকল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়টির এ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) বিভিন্ন সূচকেও বিশ্ববিদ্যালয়টি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি (এসডিজি–৭) সূচকে জিইউবি বাংলাদেশে ১ম এবং বিশ্বে ৬৩তম স্থান অর্জন করেছে। মানসম্মত শিক্ষা (এসডিজি–৪) সূচকে বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশে ৪র্থ এবং বিশ্বব্যাপী ১০১–২০০ ব্যান্ডে অবস্থান করেছে। এ ছাড়া শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান (এসডিজি–১৬) সূচকে জিইউবি বাংলাদেশে ২য় এবং বিশ্বে ৩০১–৪০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে।

উল্লেখ্য, বুধবার প্রকাশিত এই র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের ২২টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে ৯টি সরকারি এবং ১৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

এ সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন বলেন, এই অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম এবং সামাজিক সম্পৃক্ততায় ধারাবাহিক অগ্রগতির প্রতিফলন। তিনি বলেন, গ্রিন ইউনিভার্সিটি শুধু শ্রেণিকক্ষে টেকসই উন্নয়ন সম্পর্কে শিক্ষা প্রদানেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের প্রতিটি ক্ষেত্রেই টেকসই চর্চাকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে।

তিনি এই অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, অ্যালামনাই এবং শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান। উপাচার্য বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিষ্ঠার ফলেই এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এই অর্জন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রমবর্ধমান অবস্থান ও প্রভাবের প্রতিফলন।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন আরও বলেন, আন্তর্জাতিক রেটিং ও র‌্যাংকিং একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলেও গ্রিন ইউনিভার্সিটির মূল লক্ষ্য হলো দক্ষ, দায়িত্বশীল ও মানবিক গ্র্যাজুয়েট তৈরি করা, যারা সমসাময়িক সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। তিনি গবেষণা, উদ্ভাবন এবং টেকসই প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও বৈশ্বিক টেকসই অগ্রযাত্রায় অর্থবহ অবদান রাখার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
 
“আজকের শিক্ষায় আগামীর সবুজ পৃথিবী”—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে একটি আরও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।