বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং ও ডিপ্লোমা-ইন-ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি শিক্ষাক্রমের ২০২৫ সালের পরীক্ষা আগামী ৬ আগস্ট থেকে শুরু হবে। এরই মধ্যে সময়সূচি প্রকাশের পাশাপাশি ব্যবহারিক পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে পরিচালনায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যায় এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ (ডিপ্লোমা শাখা)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৬ আগস্ট থেকে ২০১৬ প্রবিধানভুক্ত ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের পঞ্চম ও সপ্তম পর্বের নিয়মিত, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্বের অকৃতকার্য বিষয় এবং অষ্টম পর্বের অনিয়মিত পরীক্ষা শুরু হবে। একইসঙ্গে ডিপ্লোমা-ইন-ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি শিক্ষাক্রমের সপ্তম পর্বের নিয়মিত ও অষ্টম পর্বের অনিয়মিত পরীক্ষাও এ সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া এইচএসসি (বিজ্ঞান) থেকে সরাসরি তৃতীয় পর্ব এবং এইচএসসি (ভোকেশনাল) থেকে সরাসরি চতুর্থ পর্বে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মেকআপ বিষয় ও অ্যালাইড গ্রুপের মেকআপ বিষয়ের পরীক্ষাও একই সূচি অনুযায়ী নেওয়া হবে।
পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কেন্দ্রগুলোকে ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য আগাম কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, ল্যাব প্রস্তুত, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল নিশ্চিত করাসহ আভ্যন্তরীণ ও অনাভ্যন্তরীণ পরীক্ষক নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ব্যবহারিক পরীক্ষা সাধারণত প্রতিদিন চারটি শিফটে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি শিফটে ২৫ থেকে ৩০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিতে পারবেন। ব্যবহারিক পরীক্ষায় জব, জব রিপোর্ট ও মৌখিক অংশের জন্য পৃথক প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করে পরীক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণ করতে হবে। এছাড়া সব ল্যাব ও ওয়ার্কশপে সচল আইপি (সিসিটিভি) ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে বোর্ড থেকে সংশ্লিষ্ট ল্যাব বা ওয়ার্কশপের কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থাও রাখতে হবে।
এদিকে, তাত্ত্বিক ধারাবাহিক ও ব্যবহারিক ধারাবাহিক নম্বর ১২ থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে এবং ব্যবহারিক চূড়ান্ত নম্বর ৮ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনলাইনে এন্ট্রি করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে নম্বর এন্ট্রি না করলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ফলাফল ‘উইথহেল্ড’ হবে এবং প্রবিধান অনুযায়ী পরীক্ষার্থী 'ইয়ার লস'-এর মুখে পড়তে পারেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।
এছাড়া প্রতিদিনের অনুপস্থিত ও বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের তথ্যও অনলাইনে এন্ট্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সব নম্বর ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বোর্ডে জমা না দিলে ফল প্রকাশে জটিলতার দায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা কেন্দ্রকেই বহন করতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এমআরআর/ডিএ
