মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধীন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে জুলাই মাসের এমপিও বিল ইএমআইএসের এমপিও-ইএফটি মডিউলে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিলে ভুল তথ্যের কারণে কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী এমপিও না পেলে বা অতিরিক্ত অর্থ পেলে তার দায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে বহন করতে হবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ইএমআইএস সেল এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা প্রকাশ করে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অধিদপ্তরাধীন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওর অর্থ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে পরিশোধ করা হচ্ছে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে নিজ প্রতিষ্ঠানের এমপিও-সংক্রান্ত আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ইএমআইএসের এমপিও-ইএফটি মডিউলে লগইন করে বিল সাবমিট করতে হবে।
এতে আরও বলা হয়, প্রতিটি শিক্ষক ও কর্মচারীর বিধি অনুযায়ী প্রাপ্য এমপিওর অর্থ সঠিকভাবে নির্ধারণ করে পৃথকভাবে বিল দাখিল করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের প্রধানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীর নিজ নিজ ব্যাংক হিসাব নম্বরে ইএফটির মাধ্যমে অর্থ পাঠানো হবে। তাই প্রতিষ্ঠানের প্রধানের দাখিল করা তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ভুল তথ্যের কারণে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিওর অর্থ পাঠানো না গেলে কিংবা অতিরিক্ত অর্থ পাঠানো হলে তার দায়ভার প্রতিষ্ঠানপ্রধানের ওপর বর্তাবে। কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী ভুলবশত অতিরিক্ত অর্থ পেলে তা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে চালানের কপি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করতে হবে।
এ ছাড়া, কেবল আইবাসে তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে বৈধ জনবলের তথ্য বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। যাদের তথ্য এখনো ত্রুটিপূর্ণ রয়েছে, সেগুলো সংশোধন ও যাচাই শেষে পর্যায়ক্রমে বিল সাবমিটের সুযোগ দেওয়া হবে।
এসব বিবেচনায় আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে জুলাই মাসের এমপিও বিল জমা দিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।
আরএইচটি/এসএএস
