আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে ইন্দোনেশিয়ার ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাদাংয়ের (ইউএনপি) ফ্যাকাল্টি অব ম্যাথেমেটিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্সেস (এফএমআইপিএ) এবং আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এএসএইউবি)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) বেলা ১১টায় আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. এস. এম. রেজাউল করিম এবং ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাদাংয়ের ফ্যাকাল্টি অব ম্যাথেমেটিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্সেস-এর ডিন প্রফেসর ড. ইউলকিফলি নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় শিক্ষা, গবেষণা, কমিউনিটি সার্ভিস, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে দুই বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে কাজ করবে। এর মধ্যে রয়েছে যৌথ গবেষণা পরিচালনা, আন্তর্জাতিক সেমিনার ও সম্মেলনের আয়োজন, যৌথ গবেষণা প্রকাশনা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়, পাবলিক লেকচার, ইন্টার্নশিপ, সমন্বিত ফিল্ড স্টাডি এবং অন্যান্য অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা জোরদার এবং উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক র্যাংকিং উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়টিও সমঝোতা স্মারকে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাদাং কর্তৃপক্ষ আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের একজন শিক্ষার্থীকে মাস্টার্স অথবা পিএইচডি পর্যায়ে সম্পূর্ণ বৃত্তি দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ ঘোষণা দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যকার অ্যাকাডেমিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অতিরিক্ত পরিচালক ড. মহিবুল আহসান এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীবিষয়ক পরিচালক ড. হাচিব মোহাম্মদ তুসার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হেলালউজ্জামান, ফ্যাকাল্টি অব সোশ্যাল সায়েন্স অ্যান্ড আর্টসের ডিন প্রফেসর ড. আবু দাউদ হাসান, আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন সাইফুল আলম, রেজিস্ট্রার মো. জাফর সিদ্দিক, জনস্বাস্থ্য বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. জেসমিন আখতার, ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ওয়ালীউল বারী, অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার মোছা. জিনাত তারাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
পাঁচ বছর মেয়াদি এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের দিন থেকেই কার্যকর হয়েছে। আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ মনে করে, এই আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
আরএফ
