বিজ্ঞাপন

উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক উন্নয়নের বিকল্প নেই : ইউজিসি সদস্য

উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক উন্নয়নের বিকল্প নেই : ইউজিসি সদস্য

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেছেন, জাতীয় অগ্রাধিকারে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের ভূমিকা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ, প্রশিক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরাই দক্ষতাভিত্তিক ও জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থার মূল কারিগর।

রোববার (২৬ জুলাই) সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে সিনিয়র ফ্যাকাল্টি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় জাতীয় প্রশিক্ষকদের জন্য আয়োজিত ‘ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অধ্যাপক মামুন বলেন, বর্তমান সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের দায়িত্ব শুধু পাঠদান ও গবেষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব প্রদান, সুশাসন সুদৃঢ় করা, শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করা, পাঠ্যক্রমে উদ্ভাবন আনা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের মধ্যে কার্যকর সংযোগ প্রতিষ্ঠায়ও তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হয়। এ কারণে উচ্চশিক্ষায় একাডেমিক নেতৃত্ব, শিক্ষাদানের উৎকর্ষ, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং গুণগতমান নিশ্চিত করতে একটি টেকসই জাতীয় শিক্ষক উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সময়ের দাবি।

তিনি বলেন, এ কর্মসূচি শুধু একটি পেশাগত উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ নয় বরং বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং একাডেমিক নেতৃত্ব বিকাশের একটি টেকসই কাঠামো প্রতিষ্ঠার বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

ইউজিসি সদস্য আরও বলেন, অতীতে উচ্চশিক্ষা খাতে অবকাঠামো উন্নয়নে তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও বর্তমান সরকার দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইউজিসির তত্ত্বাবধানে হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সফট স্কিল ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ইউনিভার্সিটি টিচার্স ট্রেনিং একাডেমির (ইউটিটিএ) ডিন অধ্যাপক ড. লায়লা নূর ইসলাম স্বাগত বক্তব্য দেন।

আরএইচটি/জেডএস 

বিজ্ঞাপন