বিজ্ঞাপন

ধাপে ধাপে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল মিল চালু হবে : ববি হাজ্জাজ

ধাপে ধাপে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল মিল চালু হবে : ববি হাজ্জাজ

দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে স্কুল মিল কর্মসূচি চালু করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য হলো প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর খাবারের আওতায় আনা।

রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও আবাসিক প্রতিনিধি কোকো উশিয়ামার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্কুল মিল কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে ধাপে ধাপে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

আলোচনায় ভারতের স্কুল মিল কর্মসূচির অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার সঙ্গে তার সামঞ্জস্যের বিষয়টিও উঠে আসে। একই সঙ্গে শহর ও গ্রামাঞ্চলের ভৌগোলিক ও আর্থসামাজিক বৈচিত্র্য বিবেচনায় প্রয়োজনভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা বলেন, স্কুল মিল কর্মসূচি শুধু শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করে না, বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশে স্কুল গার্ডেন, পুষ্টি শিক্ষা এবং স্থানীয় কৃষির সঙ্গে স্কুল মিল কর্মসূচির সমন্বয়ের মাধ্যমে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিদ্যমান তথ্য ব্যবস্থাপনা (আইপিএমআইএস) উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতের সমন্বিত তথ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে ডব্লিউএফপির কারিগরি সহযোগিতার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এ সময় উভয় পক্ষ আধুনিক, সমন্বিত ও তথ্যভিত্তিক মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে, যাতে স্কুল মিল কর্মসূচির কার্যকারিতা আরও বাড়ানো যায়।

এসময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ডব্লিউএফপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

আরএইচটি/আরএফ