এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বিদেশের কেন্দ্রগুলো থেকে পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছেন ৮৮ দশমিক ০৬ শতাংশ শিক্ষার্থী। এ বছর বিদেশে অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ছিলেন ৪০২ জন। এদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৫৪ জন, অনুত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী ৪৮ জন।
আজ (সোমবার) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন৷
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল খালেক, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর খোন্দকার মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন।
এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রচলিত সময়সূচি অনুযায়ী গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা থাকলেও প্রায় তিন সপ্তাহ পর ফল প্রকাশ করা হলো। সকাল ১০টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এমএম/এনএফ
