দেশের মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের ধসের চিত্র উঠে এসেছে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার নেমে এসেছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে, যা ২০০৭ সালের পর গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ। একই সঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যাও। কড়া মূল্যায়ন, পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা এবং বিশেষ করে গণিত ও ইংরেজিতে শিক্ষার্থীদের বড়সংখ্যায় অকৃতকার্য হওয়াকে ফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন শিক্ষা-সংশ্লিষ্টরা।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে।
এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। মেধার সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।
গত বছর ২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সে বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ। একই সময়ে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার মোট ১৪ লাখ ৪ হাজার ৫৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ৮ লাখ ৯৯ হাজার ৬১০ জন। এসব বোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর ফলাফলেও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। ৯টি সাধারণ বোর্ডে অংশ নেওয়া ৬ লাখ ৬২ হাজার ৬৬৩ জন ছেলে পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৮১৪ জন। ফলে ছেলেদের পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ। অন্যদিকে ৭ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৬ জন মেয়ে পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫ লাখ ৩ হাজার ৭৯৬ জন। মেয়েদের পাসের হার ৬৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ।
জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও মেয়েদের এগিয়ে থাকার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে এবার ৪৭ হাজার ৩০৪ জন ছেলে এবং ৫৮ হাজার ৭০৫ জন মেয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে। ফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুই সূচকেই ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ফল ভালো হয়েছে।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের তুলনায় মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ফলাফল আরও খারাপ হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষায় এবার ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৭ জন। এ বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন শিক্ষার্থী।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষাতেও কাঙ্ক্ষিত ফল আসেনি। এ বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৭৯ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৬৪ জন। অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৭ হাজার ২১৫ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ৭৪ হাজার ৪৭০ জন। ফেল করেছে এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৩ হাজার ৪৯৪ জন। সব মিলিয়ে কারিগরি বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন।

গত দেড় দশকের এসএসসি ও সমমানের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে এবারের ফলের অবনতির চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ২০১১ সালে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ১৬ শতাংশ। এরপর তা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে বাড়তে ২০১৪ সালে ৯১ দশমিক ৩৪ শতাংশে পৌঁছায়, যা ছিল ওই সময়ের অন্যতম সর্বোচ্চ হার। পরে মূল্যায়ন পদ্ধতি ও পরীক্ষার ধরনে বিভিন্ন পরিবর্তনের কারণে পাসের হারে ওঠানামা দেখা যায়।
২০১৭ সালে খাতা মূল্যায়নে নতুন মানদণ্ড প্রয়োগের পর পাসের হার কমে ৮০ দশমিক ৩৫ শতাংশে নেমে আসে। এরপর করোনাকালে পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। ২০২১ সালে বিষয় ম্যাপিং ও বিশেষ মূল্যায়নের মাধ্যমে ফল প্রকাশ করায় পাসের হার বেড়ে ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশে পৌঁছায়, যা এ যাবৎকালের অন্যতম সর্বোচ্চ হার।
করোনা-পরবর্তী সময়ে স্বাভাবিক পরীক্ষাপদ্ধতি ও পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা ফিরলে পাসের হার আবার কমতে শুরু করে। গত বছর ২০২৫ সালে পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশে নেমে আসে। এবার তা আরও কমে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ হয়েছে। ফলে ২০০৭ সালের পর গত ১৯ বছরের মধ্যে এবারই এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী পাস করেছে।
এবারের ফল বিপর্যয়ে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অকৃতকার্যতার বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। এ দুটি মৌলিক বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতার কারণে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। এর সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া এবং খাতা মূল্যায়নে তুলনামূলক কঠোরতা এবারের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন শিক্ষা-সংশ্লিষ্টরা।
ফলাফলের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সামগ্রিক ফলাফলেও। এবার শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে—এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৬৬৯টিতে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৯৬৮টি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
অন্যদিকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি—এমন শূন্য পাস বা জিরো পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১২টিতে। এতে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান, পাঠদান পদ্ধতি এবং শিক্ষার্থীদের মৌলিক বিষয়ে দক্ষতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
সার্বিক বিষয়ে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান ঢাকা পোস্টকে বলেন, এবারের ফলাফলকে শুধু পাসের হার কমে যাওয়ার দৃষ্টিতে দেখলে হবে না। কোন বিষয়গুলোতে শিক্ষার্থীরা বেশি পিছিয়ে পড়েছে এবং কোন ধরনের প্রতিষ্ঠানে ফলাফল খারাপ হয়েছে, তা বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে গণিত ও ইংরেজির মতো মৌলিক বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে পাঠদানের মান উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নে নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করার কারণে এবার ফলাফলে পরিবর্তন এসেছে। তবে এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিখন-ঘাটতিও সামনে এসেছে। তাই ফল ভালো দেখানোর চেয়ে শিক্ষার্থীরা যেন বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সেদিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান আরও বলেন, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফলাফল তুলনামূলকভাবে খারাপ হয়েছে, সেগুলোর কারণ খুঁজে বের করে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সুপারিশ করা হবে।
এদিকে শিক্ষাবিদেরা বলছেন, পাসের হার কমে যাওয়ার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি ও মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থার কিছু মৌলিক দুর্বলতা সামনে এসেছে। ফলাফল ভালো দেখানোর পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত জ্ঞান ও দক্ষতা নিশ্চিত করার দিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে গণিত ও ইংরেজির মতো মৌলিক বিষয়ে যেসব শিক্ষার্থী পিছিয়ে রয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত প্রতিকারমূলক বিশেষ ক্লাস ও সহায়ক কার্যক্রম চালু করা প্রয়োজন।
বিষয়টি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকা পোস্টকে বলেন, এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের সংকটের একটি প্রতিচ্ছবি। তবে শিক্ষার মানোন্নয়নে বর্তমান সরকারের উদ্যোগের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও শিক্ষা ব্যবস্থার সমন্বয় ঘটাতে পারলে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব।
তিনি বলেন, বিগত দীর্ঘ সময়ে শিক্ষাকে যে ধ্বংস করা হয়েছে, এবারের পরীক্ষার ফলাফল তারই একটি প্রতিচ্ছবি। বর্তমান সরকার শিক্ষাকে একটি সুশৃঙ্খল ধারায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। পরীক্ষা পরীক্ষার মতো হবে, পড়াশোনা পড়াশোনার মতো হবে—এমন একটি পরিবেশ তৈরির প্রস্তুতি চলছে।
ড. জিন্নাহ বলেন, দীর্ঘদিনের শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মানসিকতা ও বর্তমান ব্যবস্থার মধ্যে এখনো একটি সমন্বয়হীনতা রয়েছে। বিভিন্ন কারণে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত পড়াশোনা থেকে দূরে সরে গেছে। এর মধ্যে মোবাইল ও ডিজিটাল সংস্কৃতির প্রভাব, পারিবারিক ও আর্থিক অসঙ্গতিসহ নানা বিষয় রয়েছে। ফলে নিয়মিত পড়াশোনায় থাকা শিক্ষার্থীরা ভালো করেছে, অন্যদিকে যারা পড়াশোনা থেকে দূরে ছিল, তাদের ফলাফল তুলনামূলকভাবে খারাপ হয়েছে।
গণিত ও ইংরেজিতে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দুর্বলতার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিবছরই গণিত ও ইংরেজিতে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতার বিষয়টি সামনে আসে। এ সমস্যা সমাধানে শুধু পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে বা মন্তব্য করে দায়িত্ব শেষ করলে হবে না। শিক্ষা বোর্ডগুলোকে গণিত ও ইংরেজির শিক্ষকদের নিয়ে বিশেষভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেন, শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য রেমিডিয়াল কোচিং বা সাপোর্ট লার্নিংয়ের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। কোন শিক্ষার্থী কেন গণিত বা ইংরেজিতে দুর্বল করছে, তা চিহ্নিত করে তাকে বিশেষ সহায়তার আওতায় আনতে হবে। প্রয়োজন হলে শিক্ষকদের এ কাজে উৎসাহিত করতে প্রণোদনার ব্যবস্থাও করা যেতে পারে।
ট্র্যাডিশনাল কোচিংয়ের মতো নয়, বরং যেসব শিক্ষার্থী পিছিয়ে রয়েছে তাদের জন্য বিশেষ রেমিডিয়াল সাপোর্ট বা প্রতিকারমূলক শিক্ষা চালু করতে হবে। স্কুল পর্যায়ে এই ব্যবস্থা কার্যকরভাবে করা গেলে গণিত ও ইংরেজিতে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা ধীরে ধীরে কমে আসবে।
কারিগরি শিক্ষায় এবার বিপর্যয়কর ফলাফল প্রসঙ্গে ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, সরকার কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এই খাতের দীর্ঘদিনের সমস্যা এক-দেড় বছরে সমাধান করা সম্ভব নয়। কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, দক্ষ প্রশিক্ষক, শিক্ষার পরিবেশ, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও ল্যাবসহ সব ক্ষেত্রেই ঘাটতি রয়েছে। শিক্ষার্থীদেরও যথাযথভাবে মোটিভেট ও গাইড করা প্রয়োজন। এসব ঘাটতির কারণেই এবার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
এমন অবস্থায় কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে তিনি পুরো ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর পরামর্শও দেন তিনি।
অন্যদিকে, প্রকাশিত ফলে কোনো শিক্ষার্থী সংক্ষুব্ধ হলে ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। আগামী ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবে।
আরএইচটি/এসএম
