মাদ্রাসার ইবতেদায়ি ৫ম ও দাখিল ৮ম শ্রেণির চলতি বছরের বৃত্তি পরীক্ষার অনলাইন ফরমপূরণ শুরু হবে আগামী ২ সেপ্টেম্বর। যা চলবে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তবে বোর্ড ফি অনলাইনে জমা দেওয়ার শেষ সময় ১১ সেপ্টেম্বর।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. ফারুক আহম্মেদের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বোর্ড অনুমোদিত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি, সংযুক্ত ইবতেদায়িসহ দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসায় ৫ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য ফরম পূরণ করতে পারবে। আর দাখিল ৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় ৬ষ্ঠ শ্রেণির নিবন্ধনের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী অংশ নিতে পারবে।
প্রতিটি পরীক্ষার্থীর জন্য বোর্ড ফি ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ অর্থ অনলাইনে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অনুকূলে জমা দিতে হবে। এর বাইরে ২০০ টাকা কেন্দ্র ফি সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসায় জমা দিতে হবে। পরে প্রতিষ্ঠানপ্রধান, অধ্যক্ষ বা সুপারিনটেনডেন্টকে ওই অর্থ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ইবতেদায়ি ৫ম শ্রেণির ফরম পূরণের জন্য প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন বা কোড ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর ‘ইবতেদায়ি বৃত্তি এন্ট্রি’ অপশন নির্বাচন করে সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে বোর্ড ফি পরিশোধ করতে হবে। ফি জমা দেওয়ার পর নতুন শিক্ষার্থীর তথ্য দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
শিক্ষার্থীর তথ্য দেওয়ার পর তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধন শেষে চূড়ান্তভাবে জমা দিতে হবে। শিক্ষার্থী ও তার বাবা-মায়ের নাম এবং জন্মনিবন্ধন নম্বর ভর্তি রেজিস্টার ও জন্মসনদ অনুযায়ী সঠিকভাবে দিতে হবে।
অন্যদিকে, দাখিল ৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘জেডিসি/৮ম বৃত্তি ই-এফএফ ২০২৬’ অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর সম্ভাব্য তালিকা প্রিন্ট করে সেখান থেকে পরীক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘অস্থায়ী তালিকা’ তৈরি করে তথ্য যাচাই-বাছাই করা যাবে। ফি পরিশোধের ২৪ ঘণ্টা পর ‘চূড়ান্ত পরীক্ষার্থী তালিকা’ সক্রিয় হবে। তালিকাটি প্রিন্ট করে পরীক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানের স্বাক্ষর নিতে হবে।
বৃত্তি পরীক্ষার ফরমপূরণসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কার্যালয়, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তাদের অনুরোধ জানিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড।
আরএইচটি/বিআরইউ
