বিজ্ঞাপন

প্রাথমিক বৃত্তির পরিমাণ নির্ধারণ, ট্যালেন্টপুলে মাসে ৩০০ টাকা

প্রাথমিক বৃত্তির পরিমাণ নির্ধারণ, ট্যালেন্টপুলে মাসে ৩০০ টাকা

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের বৃত্তির অর্থের হার নির্ধারণ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নির্ধারিত হার অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৩০০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পাবেন। অন্যদিকে, সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ২২৫ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পাবেন।

রোববার (৩০ আগস্ট) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে বৃত্তির অর্থের হার ও শর্তের বিষয়টি জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত হার ও শর্ত অনুযায়ী ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী তিন বছরের জন্য বৃত্তির অর্থ দেওয়া হবে। অর্থাৎ ২০২৬ সালের শুরু থেকেই নতুন নির্ধারিত হারে বৃত্তির টাকা কার্যকর হবে।

বৃত্তির অর্থ পেতে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত কিছু শর্তও পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষার্থীর সদাচরণ, বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি এবং সন্তোষজনকভাবে পাঠগ্রহণ। এসব শর্ত পূরণ সাপেক্ষেই বৃত্তির অর্থ অব্যাহত থাকবে।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বিনা বেতনে যেকোনো সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন। তবে কোনো শিক্ষার্থী সরকার অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি না হলে তিনি বৃত্তির অর্থ পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন না। অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নকালীন পাঠ-বিরতি বা ‘ব্রেক অব স্টাডি’ থাকলেও তা হিসাবের মধ্যে গণ্য হবে।

বৃত্তির অর্থ শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। এ ক্ষেত্রে জিটুপি (গভর্নমেন্ট টু পারসন) পদ্ধতিতে ইএফটির (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) মাধ্যমে অর্থ বিতরণ করা হবে। এজন্য বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অনলাইন মুদ্রণব্যাংক প্ল্যাটফর্মভুক্ত যেকোনো ব্যাংকে হিসাব খুলতে হবে এবং ব্যাংক হিসাবের প্রয়োজনীয় তথ্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে।

এদিকে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বিল ফর্মে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতিস্বাক্ষর নেওয়ার পর নিজ নিজ এলাকার সরকারি কোষাগার থেকে বৃত্তির অর্থ উত্তোলন করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, সরকারি নির্ধারিত শর্তের আওতায় বৃত্তি স্থগিত বা বাতিল হতে পারে। প্রয়োজনে সরকার বৃত্তির সংখ্যা, অর্থের হার ও মেয়াদসহ এ আদেশের যেকোনো শর্ত পরিবর্তন, সংশোধন বা বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।

আরএইচটি/এসএএস