চলতি মৌসুমে দেশে বজ্রপাতের প্রকোপ বাড়ায় এর ক্ষয়ক্ষতি কমাতে এবং ঝুঁকি মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে নেওয়া কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন চেয়েছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের আওতাধীন দেশের সব ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে নেওয়া কার্যক্রমের তথ্য নির্ধারিত ই-মেইলে পাঠাতে বলা হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের শাখা-০২ থেকে এ সংক্রান্ত স্মারক জারি করা হয়।
সহকারী পরিচালক মো. রাকিবুল হাসান স্বাক্ষরিত স্মারকে নির্ধারিত ই-মেইলে ([email protected]) তথ্য পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের গত ২৩ আগস্টের স্মারকের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, সরকার ২০১৬ সালে বজ্রপাতকে ‘জাতীয় দুর্যোগ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। চলতি মৌসুমে বজ্রপাতের তীব্রতা ও ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে। দুর্যোগবিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি (এসওডি) অনুযায়ী মাঠপর্যায়ে বজ্রপাত মোকাবিলায় বিভিন্ন কার্যক্রম আরও জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের নির্দেশনার বরাত দিয়ে স্মারকে বলা হয়, জেলা ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা এবং উন্নয়ন সমন্বয় সভায় বজ্রপাতজনিত ঝুঁকি ও তা থেকে সুরক্ষার করণীয় বিষয়ে বিশেষ আলোচনা করতে হবে। পাশাপাশি, সচেতনতামূলক লিফলেট ও পোস্টার তৈরি ও বিতরণের উদ্যোগ নিতে হবে।
এ ছাড়া, মসজিদ, মন্দিরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় এবং জনসমাগমস্থলে নিয়মিত সতর্কতামূলক বার্তা প্রচারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে খোলা মাঠে কাজ করা কৃষক ও মৎস্যজীবীদের বজ্রপাতের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষায় মাঠপর্যায়ে বিশেষ সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সব আঞ্চলিক কার্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে বজ্রপাত প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে নেওয়া কার্যক্রমের বিবরণ নির্ধারিত ই-মেইলে পাঠাতে বলা হয়েছে।
আরএইচটি/এসএএস
