বিজ্ঞাপন

কারিগরি বোর্ডে ফেল থেকে পাস ৬৬৪ শিক্ষার্থী, জিপিএ-৫ পেল ৪৬ জন

কারিগরি বোর্ডে ফেল থেকে পাস ৬৬৪ শিক্ষার্থী, জিপিএ-৫ পেল ৪৬ জন

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসি (ভোকেশনাল) ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণে ৬৬৭ জন পরীক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে আগে অকৃতকার্য হওয়া ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছেন। একই সঙ্গে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৬ জন।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় ২০২৬ সালের এসএসসি (ভোকেশনাল) ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত ফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পুনর্নিরীক্ষণের পর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ হাজার ৩৭২টি বিষয়ের উত্তরপত্রে নম্বর পরিবর্তন হয়েছে। এতে ৬৬৭ জন পরীক্ষার্থীর লেটারগ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬৬৪ জন আগে ফেল করলেও পুনর্নিরীক্ষণের পর পাস করেছে। এছাড়া ৪৬ জন পরীক্ষার্থী নতুন করে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

জানা গেছে, ২০২৬ সালের এসএসসি (ভোকেশনাল) ও সমমান পরীক্ষায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। মূল ফল প্রকাশের পর তাদের মধ্যে ২০ হাজার ৩০৭ জন পরীক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে। এসব পরীক্ষার্থী মোট ৩৪ হাজার ৩০৫টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছিলে।

পুনর্নিরীক্ষণে আবেদন করা উত্তরপত্রগুলোর মধ্যে ১ হাজার ৩৭২টি বিষয়ের নম্বরে পরিবর্তন আসে। এর প্রভাবে ৬৬৭ জন পরীক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়। এর মধ্যে ৬৬৪ জন ফেল থেকে পাস করেছেন এবং ৪৬ জন নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে।

এদিকে এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণে রেকর্ডসংখ্যক আবেদন জমা পড়ে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পরীক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে। একজন পরীক্ষার্থী একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারে। ফলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যার তুলনায় মোট আবেদন বেশি হয়েছে।

সব মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে লিখিত পরীক্ষার ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা হয়। অর্থাৎ, মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন জমা পড়ে।

আরএইচটি/জেআই