ওপার বাংলার সিনেমায় অভিষেক ঘটল ঢাকাই চিত্রনায়িকা পরীমণির। শুক্রবার মুক্তি পায় দেবরাজ সিনহা পরিচালিত ছবি ‘ফেলুবক্সী’। সেখানে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন নায়িকা।
কিন্তু ‘ফেলুবক্সী’ ছবি মুক্তির দিনে কলকাতায় অবস্থান করতে পারেননি পরীমণি। ভিসা জটিলতা থাকায় দেশেই আটকে ছিলেন নায়িকা। এতে তিনি যে ওপার বাংলার সহশিল্পীদের খুব মিস করেছেন, তা স্পষ্ট।
সম্প্রতি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ফেলুবক্সী প্রসঙ্গে নানান কথা বলেন পরীমণি। ছবিটির মুক্তি উপলক্ষ্যে কলকাতায় লম্বা সময়ও থাকার কথা ছিল পরীমণির। কিন্তু তা হয়নি। নায়িকা বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত যাওয়া হলো না। কলকাতায় ২২ দিন থাকার প্ল্যান করেছিলাম। যেহেতু সেখানে উপস্থিত হতে পারিনি, আশা করি এই ছবির দর্শকদের সঙ্গে থাকতে পারব।’
আরও পড়ুন
একপর্যায়ে ছবির সহশিল্পী ওপার বাংলার সোহম চক্রবর্তীর প্রসঙ্গেও কথা বলেন পরীমণি। বলেন, ‘সোহম একজন অসাধারণ অভিনেতা, একজন দয়ালু ব্যক্তি। তার সঙ্গে কাজ করতে পেরে ভালো লেগেছে। তিনি খুব প্রতিভাবান, এবং সোহমের সাথে অভিনয় একটা দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা ছিল।’
পরীমণি আরও বলেন, ‘পুরো কাস্ট ও ক্রু চমৎকার ছিল। আমি প্রত্যেকের কাছে কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে তখন আমার ছেলে ছোট ছিল। আর ওই অবস্থাতেই শ্যুটিং করেছিলাম। তারা তখন আমাকে অনেক যত্নে রেখেছিল।’
দেবরাজ সিনহা পরিচালিত ফেলুবক্সী সিনেমাটিতে পরীমণি, সোহম ছাড়াও অভিনয় করেছেন কলকাতার অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। তবে ছবিতে দর্শকদের নজর কেড়েছেন পরীমণি। রহস্যে ঘেরা গল্পে তার চরিত্রটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তিনটি হত্যাকাণ্ড নিয়ে ছবির প্লট। আর প্রতিটি হত্যাকাণ্ডই একটির সঙ্গে আরেকটি সম্পৃক্ত। আর সেই হত্যাকাণ্ডগুলোর পেছনে কি পরীর হাত রয়েছে কী না, তার রহস্য জানা যাবে ছবিটিতে।
ডিএ
