‘শৈশবে বড় ধরনের আর্থিক বিপর্যয় দেখেছি’

কিংবদন্তী সংগীতশিল্পী এআর রহমান। অস্কার থেকে গ্র্যামি সাফল্যের চূড়ায় যার বসবাস। কিন্তু ঝকঝকে এই সাফল্যের পর্দার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক দীর্ঘ লড়াইয়ের গল্প। শৈশবে চরম আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে বড় হওয়া রহমান চান না তার সন্তানেরা বাস্তব থেকে দূরে থাকুক।
তাই পরিবারের কোনো খারাপ খবর বা সমস্যা সন্তানদের থেকে লুকিয়ে রাখা নয়, বরং সোজাসুজি ভাগ করে নেওয়াতেই বিশ্বাসী তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের খোলামেলা কথা বলেছেন।
তিনি জানান, তার সন্তানদের বাস্তব পৃথিবীর কঠিন রূপটার মুখোমুখি দাঁড় করাতে চান। ধারে জর্জরিত হওয়া কিংবা পারিবারিক যেকোনো জটিল পরিস্থিতি- সবটাই তিনি সন্তানদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
তার কথায়, ‘আমি চাই আমার সন্তানেরা জানুক চারপাশে আসলে কী ঘটছে। কোনো দুঃসংবাদ বা সংকট ওদের থেকে লুকিয়ে রাখায় আমি বিশ্বাস করি না। ওরা সবটা জানুক।’
সন্তানদের এই কঠিন সত্যগুলো জানানো মানে তাদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করা নয়। বরং এর নেপথ্যে রয়েছে এক গভীর শিক্ষা। তিনি চান, প্রতিকূল পরিবেশ থেকে তার সন্তানেরা শিক্ষা নিক এবং মানসিকভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠুক।
রহমান বলেন, ‘আমি শৈশবে বড় ধরনের আর্থিক বিপর্যয় দেখেছি। মা আর বোনেদের নিয়ে সেই লড়াইটা ছিল ভীষণ কঠিন। তবে সেই দায়বদ্ধতা আর অভিজ্ঞতাগুলোই আমাকে আজকের এই মানুষটা হিসেবে গড়ে তুলেছে।’
এমআইকে