বিজ্ঞাপন

সেই থাপ্পড়কাণ্ড অবশেষে পর্দায়, যা বলছেন দর্শকরা

অ+
অ-
সেই থাপ্পড়কাণ্ড অবশেষে পর্দায়, যা বলছেন দর্শকরা

অবশেষে দর্শকের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে আলোচিত নাটক ‘পুতুলের বিয়ে’। নাটকের শুটিং চলাকালীন অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সহশিল্পী সামিয়া অথৈকে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল, যা নিয়ে সে সময় বিনোদন অঙ্গনে বেশ তোলপাড় তৈরি হয়। এবার সেই বহুল চর্চিত দৃশ্যটি পর্দায় দর্শকরা দেখতে পাচ্ছেন; পাশাপাশি মন্তব্যঘরে চলছে বেশ আলোচনা। 

বিজ্ঞাপন

ধূপছায়া এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশের পর থেকে নাটকটির ভিউ হু হু করে বেড়েই চলেছে। প্রকাশের অল্প সময়ের মধ্যেই নাটকটি ৮ লাখ ২১ হাজারের বেশি বার দেখা হয়েছে। ইউটিউবে নাটকটির মন্তব্যের ঘরে দেখা যায়, দর্শকদের একটি বড় অংশ মূলত সেই ‘থাপ্পড়কাণ্ড’ দেখতেই ভিডিওটিতে ক্লিক করেছেন। 

৩৮ মিনিট ১ সেকেন্ডের ওই নির্দিষ্ট দৃশ্যটির কথা উল্লেখ করে একজন দর্শক লিখেছেন, তার মতো অনেকেই শুধু থাপ্পড়ের পেছনের কাহিনি দেখার জন্যই নাটকটি দেখতে এসেছেন। অনেকেই সেই দর্শকের মন্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। কেউ কেউ সরাসরি লিখেছেন, ভাইরাল হওয়া মারধরের দৃশ্যটি দেখতেই তারা এসেছেন। আবার এক দর্শক মন্তব্য করেছেন, তিশার চড় দেওয়ার দৃশ্যটি একদম বাস্তব মনে হয়েছে।

‘পুতুলের বিয়ে’ নাটকে তানজিন তিশার ’থাপড়’ দেওয়ার দৃশ্য

বিজ্ঞাপন

শুটিংয়ের সময় মারধরের অভিযোগ ওঠার পর তিশা ও নির্মাতা রাফাত মজুমদার রিংকু দাবি করেছিলেন, তিশা কাউকে ইচ্ছে করে বা আক্রোশ থেকে আঘাত করেননি। নাটকে তিনি একজন মানসিকভাবে অসুস্থ তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন এবং চরিত্রটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতেই চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে দৃশ্যটিতে আঘাত করতে হয়েছিল। তবে সে সময় নির্মাতার এই বক্তব্য অনেকের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে না হলেও এই বিতর্কটি নাটকটি ঘিরে দর্শকদের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি করেছে।

তবে শুধু বিতর্ক নয়, নেটিজেনদের অনেকেই তানজিন তিশার অভিনয়ের দারুণ প্রশংসা করেছেন। এক দর্শজকের মন্তব্য, এই নাটকে নিখুঁত অভিনয়ের জন্য তানজিন তিশার পুরস্কার পাওয়া উচিত।

বিজ্ঞাপন

আহমেদ তাওকীরের গল্প ও চিত্রনাট্যে ‘পুতুলের বিয়ে’ নাটকটি পরিচালনা করেছেন রাফাত মজুমদার রিংকু। প্রযোজনা করেছেন ফখরুল রিয়া ও ড. রেবেকা মনি পারভেজ। এতে তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈ ছাড়াও অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, মীর রাব্বি, মোমেনা চৌধুরী, মাসুদ মহিউদ্দিন, সহযোগী পরিচালক মজুমদার শিমুল প্রমুখ। নাটকটির চিত্রগ্রহণে ছিলেন নাঈম ফুয়াদ, সম্পাদনা ও রঙ বিন্যাসে রাশেদ রাব্বি এবং আবহ সংগীতে কাজ করেছেন ই কে মজুমদার ইশতি।

ডিএ