বিজ্ঞাপন

বাবা হওয়া প্রসঙ্গে ‘পুরোনো’ নীরবতায় শাকিব

বাবা হওয়া প্রসঙ্গে ‘পুরোনো’ নীরবতায় শাকিব

অভিনেত্রী শবনম বুবলীর মাতৃত্বের গুঞ্জনটা বেশ কিছুদিন ধরেই চলছিল। যদিও এ বিষয়ে বারবার গণমাধ্যমের প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন তিনি। শেষমেশ গুঞ্জনই হলো সত্যি। ১১ মে কন্যার মা হয়েছেন তিনি। খবরটি আবার সামনে আনলেন প্রায় এক মাস পর, শুক্রবার।

বুবলী জানালেন, তার কন্যার বাবা শাকিব খান। কন্যার নাম রেখেছেন শাকিবের নামের সঙ্গে মিল রেখেই—শারলিন খান। খবরটি শুনে অনেকে আনন্দ যেমন প্রকাশ করছেন, তেমনি অনেকের মনে প্রশ্ন, কৌতূহল। কারণ বরাবরের মতো স্ত্রী সরব হলেও নীরবতায় রয়েছেন শাকিব।

শুক্রবার বুবলী তার ফেসবুক পেজ থেকে মা হওয়ার খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন। ওই পোস্টে ট্যাগ করেছেন শাকিবকে। কিন্তু দিন পেরিয়ে গেলেও সে পোস্ট নিজের টাইমলাইনে এক্সেপ্ট করেননি অভিনেতা। এমনকি তার ফেসবুক পেজ কিংবা ইনস্টাগ্রাম পেজ থেকে আলাদাভাবেও কোনো পোস্ট (প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত) আসেনি। তাই কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন, এবারও কি বাবা হওয়া নিয়ে অস্বস্তিতে আছেন পর্দার ‘রকস্টার’?

সন্তান প্রসঙ্গে শাকিবের এমন নীরবতা নতুন নয়, আগের দুই ছেলের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা দেখেছে দর্শক। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর শাকিব ও অপু বিশ্বাসের সংসারে জন্ম নেয় আব্রাম খান জয়। সে খবর আড়াল রেখেছিলেন দুজনে। অনেকদিন পর হাটে হাঁড়ি ভাঙেন অপু। সন্তানসহ টিভি লাইভে এসে জানান বিস্তারিত। সে সময়ও নীরব ছিলেন শাকিব। পরে অবশ্য নানা কাদা ছোড়াছুড়ি দেখা গিয়েছিল দুজনের মধ্যে।

এরপর ২০১৮ সালে বুবলীকেও গোপনে বিয়ে করেন শাকিব। সে সংসারে ২০২০ সালে জন্ম নেয় শেহজাদ খান বীর। এ সন্তানের খবরও তারা গোপন রাখেন। পরে বুবলী বিষয়টি সামনে আনলেও চুপ থাকেন শাকিব। অপুর মতো একই কায়দায় বুবলীর সঙ্গেও তার মতানৈক্য প্রকাশ্যে আসে। হতাশ হয়ে গণমাধ্যমকে শাকিব এ-ও বলেছিলেন, ‘অপু বিশ্বাস ও বুবলী দুজনেই এখন আমার কাছে অতীত। তাদের সঙ্গে কোনো অবস্থায় আমার সম্পর্ক জোড়া লাগার সম্ভাবনা নেই। অতীত মানে তারা অতীতই।’

ছেলে বীরের সঙ্গে শাকিব ও বুবলী

তবে সে অবস্থান থেকে সরে এসে বুবলীর সঙ্গে বিবাদ মিটিয়ে নেয়ায় তাদের ভক্তদের অনেকে খুশি। নতুন কন্যার আগমনের খবরটিও তারা ইতিবাচকভাবে নিচ্ছেন। কিন্তু ঘুরেফিরে অনেকের মনেই প্রশ্ন, শাকিব এখনো কেন সেই চেনা নীরবতায় ডুব দিয়ে আছেন? অতীতের ঘটনাগুলো কি তার মনে কোনো ছাপ রাখেনি? উত্তরটা সময়ের হাতেই ছেড়ে দেওয়া যাক।

কেআই