বিজ্ঞাপন

একষট্টিতে গাজী রাকায়েত, থাকছে দুই দিনের বিশেষ উৎসব

একষট্টিতে গাজী রাকায়েত, থাকছে দুই দিনের বিশেষ উৎসব

অভিনেতা, নাট্যকার, নির্দেশক, চলচ্চিত্র পরিচালক এমনকি শিক্ষক; নানা পরিচয়ে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে অন্যতম আলোকিত ব্যক্তি গাজী রাকায়েত। আজ ১৫ জুন, ৬০ বছর পূর্ণ করে একষট্টিতে পা রাখলেন গুণী এই নাট্যব্যক্তিত্ব। তার জীবনের এই বিশেষ মাইলফলক উদ্‌যাপন করতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে দুই দিনব্যাপী উৎসবের আয়োজন করেছেন তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা। 

জানা গেছে, কাছের মানুষদের উদ্যোগে ১৫ ও ১৬ জুন শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল হলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে তার ৬০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপনের এই আয়োজন। প্রথম দিনে সন্ধ্যা ৭টায় প্রদর্শিত হবে গাজী রাকায়েত নির্দেশিত ঐতিহ্যবাহী নাটক ‘নানা রঙের দিন’-এর ১০১তম প্রদর্শনী। এরপর দেখা যাবে তার পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘একটি লাশের গল্প’। 

উৎসবের দ্বিতীয় দিন, আগামী ১৬ জুন একই স্থানে সন্ধ্যা ৭টায় প্রদর্শিত হবে তার পরিচালিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মানুষটিকে দেখ’। চলতি বছরের গত ১ মে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল এই সিনেমাটি।

ষাট বছর বয়সে জীবন নিয়ে নিজের উপলব্ধি প্রকাশ করে এই গুণী শিল্পী সংবাদ মাধ্যমে বলেন, আল্লাহ আমাকে ৬০ বছর পর্যন্ত বাঁচিয়ে রেখেছেন, এটি আমার জন্য বিরাট প্রাপ্তি। মানুষ দেখছি, পৃথিবী দেখছি। শিল্পী হিসেবে সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি নিজের কাজটা করে যাওয়ার। মানুষকে আনন্দ দেওয়ার পাশাপাশি আমার ভাবনাচিন্তাগুলো সবার সঙ্গে শেয়ার করার চেষ্টা করেছি। আল্লাহ যতদিন বাঁচিয়ে রাখবেন, এই চেষ্টাটা রাখতে চাই।

১৯৬৬ সালে ঢাকার গেন্ডারিয়ায় জন্ম নেওয়া গাজী রাকায়েতের অভিনয়ের প্রতি টান ছিল কিশোর বয়স থেকেই। স্কুলের নাটকে অভিনয় করলেও মেধাবী শিক্ষার্থী হওয়ায় পড়াশোনাতেই বেশি মনোযোগী ছিলেন। 

তবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) পড়ার সময় কিছুটা বিষণ্নতায় আক্রান্ত হন তিনি। একদিন আলিয়ঁস ফ্রঁসেজের একটি অভিনয় প্রশিক্ষণ কোর্সের বিজ্ঞাপনে চোখ পড়ে তার। যোগ দেন সেই কোর্সে এবং এরপর থেকেই আর অভিনয় জগৎ থেকে বের হতে পারেননি।

এখন পর্যন্ত সমানতালে অভিনয়, নাটক রচনা, নির্দেশনা ও চলচ্চিত্র নির্মাণের পাশাপাশি নতুন শিল্পী তৈরির জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণও দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

ডিএ

বিজ্ঞাপন