গতকাল তাইওয়ানের কাওশিয়ুং শহরে শুরু হয়েছে ‘ইন্টারন্যাশনাল ইয়াং কোরিওগ্রাফারস প্রজেক্ট’। চলবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। তিন সপ্তাহের এই প্রকল্পে বাংলাদেশ থেকে অংশ নিচ্ছেন তরুণ নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার এস এম হাসান ইশতিয়াক ইমরান।
‘ওয়ার্ল্ড ড্যান্স অ্যালায়েন্স এশিয়া-প্যাসিফিক’-এর আয়োজনে এই প্রকল্পে বিভিন্ন দেশের নৃত্যশিল্পীরা অংশ নিচ্ছেন। তারা নিজেদের সৃজনশীল কাজের ভাবনা বিনিময়, পারষ্পরিক সহযোগিতা ও নৃত্যশিল্পের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করবেন।
বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে এই প্রজেক্টে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের ইশতিয়াক। প্রকল্পে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের আটজন কোরিওগ্রাফারের মধ্যে একজন তিনি। প্রকল্প শেষে কাওশিয়ুং শহরে দুটি উন্মুক্ত পরিবেশনায় অংশ নেবেন ইশতিয়াক। এমন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে জায়গা করে নিতে পেরে ভীষণ উচ্ছ্বসিত তিনি।

আড়াই দশক ধরে নৃত্যের সঙ্গে জড়িত ইশতিয়াক ইমরান। এম আর ওয়াসেক ও সাজু আহমদের কাছে নৃত্যশিক্ষার হাতেখড়ি তার। পরবর্তীতে ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে কত্থক নৃত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং গুরু শ্রী অসিমবন্ধু ভট্টাচার্যের কাছে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
বর্তমানে তিনি রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্য বিভাগে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগে খণ্ডকালীন প্রভাষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পারফর্মিং আর্টস (বিপা)-এ নৃত্য প্রশিক্ষক ও কোরিওগ্রাফার হিসেবে যুক্ত আছেন। এসবের সঙ্গে চলছে তার নিজের প্রতিষ্ঠান ‘কাথ্যাকিয়া—দ্য সেন্টার অব আর্টস’-এর কার্যক্রম।
কেআই
