বিজ্ঞাপন

শিল্পী সমিতির নির্বাচন : মুক্তির পক্ষে ওমর সানী

শিল্পী সমিতির নির্বাচন : মুক্তির পক্ষে ওমর সানী

ফের জমজমাট বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। কারণ সামনেই চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। আর বরাবরই এই সংগঠনের নির্বাচন ঘিরে জমে ওঠে চলচ্চিত্রপাড়া। এবার নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন রুমানা ইসলাম মুক্তি। শিল্পীদের কাছ থেকে সাড়াও পাচ্ছেন বেশ।

এবার মুক্তির পক্ষে সমর্থন দিলেন জনপ্রিয় নায়ক ওমর সানী, জানিয়েছেন শুভকামনা। মজার ব্যাপার হলো, ১৯৯২ সালে ‘চাঁদের আলো’ ছবির মাধ্যমেই অভিষেক হয়েছিল ওমর সানী ও মুক্তির। ফলে তাদের মধ্যে হৃদ্যতা বেশ পুরনো।

সম্প্রতি এফডিসিতে এসে মুক্তিকে সমর্থন জানিয়ে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ওমর সানী বলেন, ‘ও (মুক্তি) আমার প্রথম সিনেমার নায়িকা। আমি মুক্তিকে আশীর্বাদ দিতে এফডিসিতে এসেছি। আমি যদি এটা না করি তাহলে আমার কর্মজীবনের সঙ্গে গাফলতি হবে। আমি চাই মুক্তি ভালো কিছু করুক।’

মুক্তির সঙ্গে একই প্যানেলে সভাপতির পদে লড়বেন অভিনেতা-ফাইট ডিরেক্টর আরমান। তাকে নিয়ে ওমর সানীর মন্তব্য, ‘আরমান ভাইয়ের সান্নিধ্যে থেকেই আমরা অনেক বড় হয়েছি। শিল্পী সমিতি একটা সময় গিয়ে ভঙ্গুর অবস্থায় ছিল। জোরজবরদস্তির মায়াজাল তৈরি হয়েছিল। গত ১০ বছরে দু-একবার এরকম অনেক ফ্লাকচুয়েট হয়েছে। রীতিমতো জোরজবরদস্তির একটা রাজত্ব কায়েম হয়েছিল। সেটা এবার নেই। মুক্তির জায়গাটা অনেক উজ্জ্বল দেখতে চাই। আমি ওপেন মুক্তির জন্য সঙ্গে আছি। যারা যারা মুক্তির প্যানেলে আছে তাদের জন্য শুভকামনা।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও মুক্তির পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন সানী। ‘চাঁদের আলো’ সিনেমার একটি পোস্টার ও মুক্তির ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘আমার প্রথম সিনেমার নায়িকা, শ্রদ্ধেয় আনোয়ারা খালার সুযোগ্য কন্যা মুক্তি শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে দাঁড়িয়েছে। ওর জন্য আমার মন থেকে অনেক দোয়া ও শুভকামনা রইল।’

এদিকে ওমর সানীর সমর্থন পেয়ে প্রতিক্রিয়ায় মুক্তি বলেন, ‘সমুদ্রের যেমন কূলকিনারা নেই, এই খুশিরও তেমন কূলকিনারা নেই। আমার প্রথম সিনেমার নায়ক ওমর সানী ভাই। আমাকে দোয়া দিতে তিনি এসেছেন। তিনি আগে থেকেই দোয়া দিয়েছেন। এবার গণমাধ্যমের সামনে দিলেন। তাকে পাশে পেয়ে আমি ভীষণ খুশি।’

প্রসঙ্গত, প্রখ্যাত অভিনেত্রী আনোয়ারার মেয়ে মুক্তি। দীর্ঘদিন রুপালি পর্দা থেকে দূরে থাকলেও চলচ্চিত্রের মানুষদের সুখে-দুঃখে তাকে পাশে দাঁড়াতে দেখা যায়। এবার সাংগঠনিকভাবে কতদূর যেতে পারেন, সেটাই দেখার বিষয়।

কেআই