বিজ্ঞাপন

শুক্রবার শিল্পকলা একাডেমিতে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’

শুক্রবার শিল্পকলা একাডেমিতে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’

বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের বীর সেনানী মাস্টারদা সূর্যসেনের প্রহসনমূলক বিচার ও হত্যাকাণ্ডের বিষয়বস্তু নিয়ে মঞ্চনাটক ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’। ঢাকার অন্যতম নাটকের দল ‘ঢাকা পদাতিক’-এর ৩৮তম প্রযোজনা। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার দলে নাটকটির ৪৪তম মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে।

নাটকটির রচনা ও মূল নির্দেশনা দিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন মাসুম আজিজ। তার মৃত্যুর পর এর নির্দেশনার দায়িত্ব পালন করছেন অভিনেতা ও নির্দেশক নাদের চৌধুরী। প্রয়োজন অনুযায়ী, নাটকটির কিছু অংশে অলংকরণ ও মঞ্চ-পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন তিনি।

‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ মঞ্চপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, শক্তিশালী সংলাপ এবং নির্মাণশৈলীর কারণে এটি বর্তমানে নাট্যাঙ্গনের আলোচিত প্রযোজনাগুলোর অন্যতম। এরই মধ্যে ভারতের দিল্লিতে নাটকটির দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দর্শক ও নাট্যসমালোচকদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।

নবনির্দেশনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নাদের চৌধুরী বলেন, “ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাসভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ নাটক ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’। মাসুম আজিজ ভাইয়ের প্রয়াণের পর প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু অংশে অলংকরণ করে নবনির্দেশনার কাজটি করেছি আমি। নাটকে আমি মাস্টারদা সূর্যসেন চরিত্রে অভিনয় করছি। ইতিহাসভিত্তিক এই নাটক বর্তমান প্রজন্মের অবশ্যই দেখা উচিত।”

প্রায় ৪০টি চরিত্র নিয়ে নির্মিত নাটকটির উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো—সূর্যসেন, কল্পনা দত্ত, তারকেশ্বর দস্তিদার, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, অম্বিকা চক্রবর্তী, নির্মল সেন, ব্রিটিশ উকিল, নেত্র সেন ও বাঙালি উকিল।

নাদের চৌধুরী ছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন মাহবুবা হক কুমকুম, মনজুরুল ইসলাম নান্টু, সাবিহা জামান, হাসনাহেনা শিল্পী, মামুন উর রশিদ, শ্যামল হাসান, আক্তার হোসেন, রবিউল মিলটন, কাজী সম্রাট, তারেক আলী মিলন, আতিকুর রহমান, আল আমিন স্বপন, সুমন ঘোষ, ফারজানা নিপা, আরিফ, মাকসুদ, জাহিদ প্রমুখ।

নাটকটির আলোক পরিকল্পনায় রয়েছেন জাকারিয়া কিরণ, সংগীত পরিচালনায় আবুল বাশার সোহেল এবং মঞ্চ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছেন শ্যামল হাসান।

উল্লেখ্য, ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়েছিল ২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারি। এরপর দেশ-বিদেশে একাধিক সফল মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে নাটকটি ইতিহাসভিত্তিক নাট্যপ্রযোজনার অন্যতম আলোচিত সংযোজন হিসেবে দর্শকমহলে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে।

কেআই