বিজ্ঞাপন

সংসারের ৩০ বছর

অপরাজিতার জীবনে সবচেয়ে বড় পুরস্কার ‘বিয়ে’

অপরাজিতার জীবনে সবচেয়ে বড় পুরস্কার ‘বিয়ে’

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য। অভিনয়গুণে জয় করেছেন এ দেশের দর্শকের মনও। আজ এ অভিনেত্রীর বিবাহবার্ষিকী। ২৯ পেরিয়ে ৩০ বছরে পড়ল অতনু হাজরার সঙ্গে তার সংসার। বিশেষ দিনে তাই ফেসবুকে দিলেন বিশেষ বার্তা। অপরাজিতার সেই পোস্টে মুগ্ধতা খুঁজে পেয়েছেন ভক্তরা।

অপরাজিতা মনে করেন, তার জীবনে সবচেয়ে বড় পুরস্কার হলো ‘বিয়ে’। সে কথা লিখলেন এভাবে, “২৯টা বছর পেরিয়ে আজ আমরা পা দিলাম ৩০তম বছরে। জীবনে যখনই কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করেছে—‘তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় পুরস্কার কী?’ আমি এক মুহূর্ত না ভেবেই বলেছি, আমার বিয়ে। কারণ ছোটবেলা থেকে জীবনের নানা সময়ে, নানা পরিস্থিতিতে আমাকে বহুবার বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে। আমার ভুল খোঁজা হয়েছে, আমাকে বোঝার আগে বিচার করা হয়েছে, কখনও বা শাস্তি দেওয়ারও চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু আমার শ্বশুরবাড়ি ছিল জীবনের সেই একমাত্র আশ্রয়, যেখানে আমাকে কখনও কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়নি। আমি ভুল করলেও তারা কখনও শুধু ভুলটুকু দেখেননি। বরং বিশ্বাস করেছেন, ‘এর পেছনেও নিশ্চয়ই কোনও কারণ আছে, কোনও ভালো উদ্দেশ্য আছে।’ আমার অসম্পূর্ণতার মধ্যেও তারা ভালোটা খুঁজে নিয়েছেন, আমাকে গ্রহণ করেছেন ঠিক আমি যেমন।”

বিয়ের সাজে অপরাজিতা ও অতনু

অপরাজিতার ভাষ্য, ‘নিঃশর্ত গ্রহণযোগ্যতাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি, সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। গুরুর আশীর্বাদে, গুরু-কৃপায়, বাকি পথটুকুও যেন আমরা এমনই সহজে, ভালোবাসায়, বিশ্বাসে আর একে অপরের হাত ধরে পার করে দিতে পারি।’

সংসারের যাত্রাপথে যারা পাশে ছিলেন, শুভকামনা ও ভালোবাসায়; তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অভিনেত্রী। সবশেষে অতনুর সঙ্গেই বাকিটা জীবন পার করার ইচ্ছে পোষণ করলেন, ‘যে হাত এতদিন ধরে রেখেছি, সেই হাত ধরেই যেন বাকি পথটুকুও হেঁটে যেতে পারি।’

বর্তমান সময়ে অপরাজিতা ও অতনু

বিবাহবার্ষিকীর দিনে কলকাতার গণমাধ্যমকে অপরাজিতা জানান, তার প্রথম সিনেমার পরিচালক জগন্নাথ গুহর কারণেই তিনি আজকের অবস্থানে। এমনকি জীবনসঙ্গী অতনুর সঙ্গে পরিচয়ের সুত্রটাও সে জগন্নাথ। তাই বিয়ের দিনে প্রয়াত সে নির্মাতার প্রতিও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তিনি।

কেআই

বিজ্ঞাপন