চলচ্চিত্রের ক্যানভাস বিশাল নাকি ছোট এই সমীকরণ দিয়ে সিনেমা হলের দর্শক কিংবা সৃষ্টির গভীরতা মাপা যায় না। কোটি কোটি টাকার আড়ম্বর সিনেমাকে বাহ্যিকভাবে চোখধাঁধানো রূপ দিতে পারে ঠিকই, কিন্তু কালজয়ী বা বড় সিনেমা তৈরি হয় নির্মাতার সুদূরপ্রসারী ‘ভিশন’ ও ভাবনার শক্তিতে এমনটাই মনে করেন বলিউড অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী।
ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে বেশ ভিন্ন ঘরানার কাজের মধ্য দিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন পঙ্কজ। একদিকে বিশাল বাজেটের বহুল প্রতীক্ষিত ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’, অন্যদিকে তুলনামূলক ছোট পরিসরের সিনেমা ‘ওহ মাই ডগ’। দুটি বিপরীতধর্মী বাজেটের প্রজেক্টে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে পঙ্কজ ত্রিপাঠী জানান, সিনেমা হলে দর্শক টানার পেছনে বাজেটের চেয়ে ট্রেলার এবং গল্পের কৌতূহল বেশি কাজ করে।
বড় প্রজেক্টে হাইপ তৈরির প্রয়োজনীয়তা মেনে নিয়েও তিনি বলেন, ‘ট্রেলার দর্শক মনে কতটা কৌতুহল তৈরি করতে পারছে, সেটাই আসল। প্রচারের জন্য বড় বাজেটের দরকার হলেও মূল সিনেমাটা কিন্তু ভাবনা থেকে তৈরি হয়।’
সম্প্রতি ‘ওহ মাই ডগ’ সিনেমার শুটিংয়ের সূত্রে নিজের জন্মভূমি বিহারে ফিরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ৪৯ বছর বয়সী এই অভিনেতা। ছোটবেলায় যে গলিতে সাইকেল চালিয়ে ঘুরে বেড়াতেন, সেখানেই আজ শত শত মানুষের ভালোবাসা আর হাততালি পেয়েছেন। বিহারে এখনও তিনি তথাকথিত কোনো ‘স্যার’ নন, সাধারণ মানুষের ঘরের ছেলে ‘পঙ্কজ ভাইয়া’।
একদিকে নতুন কাজের ব্যস্ততা, অন্যদিকে ২০২৩ সালের সফল সিনেমা ‘ওএমজি ২’-এর ক্রেডিট বিতর্ক সবকিছু নিয়েই নিজের স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন তিনি। পরেশ রাওয়ালের সঙ্গে প্রযোজকদের বিতর্ক নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ পঙ্কজ ত্রিপাঠী। বিষয়টিকে সম্পূর্ণ তাদের ব্যক্তিগত অধিকার হিসেবে মন্তব্য করে তিনি এসব চর্চা থেকে নিজেকে দূরে রেখেছিন।
এমআইকে
