বিজ্ঞাপন

ফোনে চঞ্চলকে প্রস্তাব, দেখা না করেই বিয়ে

ফোনে চঞ্চলকে প্রস্তাব, দেখা না করেই বিয়ে
অভিনয়ে খুবই সাবলীল, শক্তিশালী। নাটক, বিজ্ঞাপন থেকেই ছিল পরিচিতি। এরপর চলচ্চিত্র, সিরিজ; দিনে দিনে দর্শকের মনের মণিকোঠায় স্থান নেন। তিনি আর কেউ নন, গুণী অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। 

সিনেমা-সিরিজ নিয়ে বর্তমানে বেশ কর্মব্যস্ততায় থাকছেন। কিন্তু কাজের বাইরে যে পুরোদস্তর একজন ‘ফ্যামিলি ম্যান’ চঞ্চল, তা অবশ্য অভিনেতার অনুরাগীদের অজানা নয়। প্রায়ই স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে ভক্তদের মাঝে নিজের অনুভূতি ভাগ করে নেন সামাজিক মাধ্যমে। এবার তবে জানালেন তার ব্যক্তিজীবনের এক মিষ্টি অতীত; যেখানে উঠে আসে তার প্রেমজীবনের শুরু ও পরিণয়ের গল্প।

২০০৭ সালে চিকিৎসক ডা. শান্তাকে বিয়ে করেন চঞ্চল। তাদের ঘরে রয়েছে একমাত্র পুত্র সন্তান শুদ্ধ। শুক্রবার দুপুরে, পারিবারিক একটি ছবি প্রকাশ করেন চঞ্চল। আর সেই পোস্টেই ব্যক্তিজীবন নিয়ে করলেন আবেগঘন স্মৃতিচারণ। অভিনেতার খানিক দীর্ঘ সেই লেখার শিরোনাম- ‘বিশে বিষক্ষয়’। বলে রাখা ভালো, বিশ বছরের দাম্পত্য এখন চঞ্চলের। দুই দশক পূর্তিতে এই পোস্ট দিলেন অভিনেতা। 

পোস্টে চঞ্চল উল্লেখ করেন, বাটন ফোনের যুগে গভীর রাতে এক মেয়ের ফোন পাওয়ার মধ্য দিয়ে তার জীবনে সম্পর্কটির শুরু। ওই নারী ফোন করে বলেছিলেন, ‘আপনার অভিনয় আমার ভাল্লাগে।’ 

চঞ্চলের ভাষ্য, তখন তার মনে হয়েছিল, শুধু অভিনয় নয়, হয়তো তাকেও ভালো লেগেছিল মেয়েটির। এরপর প্রায় এক মাস মুঠোফোনে কথাবার্তা হয় তাদের। পরে সামনাসামনি দেখা না করেই তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

ছবিতে, চঞ্চল চৌধুরী (বাঁ থেকে), স্ত্রী ডা. শান্তা ও পুত্রসন্তান শুদ্ধ

চঞ্চল লেখেন, ‘ওই বিশ্বাস নিয়েই মনে হয় মোবাইল ফোনে মাস খানেক কথা বার্তা….তারপর সামনাসামনি দেখা না করেই ফোনে কথা দেওয়া যে, সে রাজি থাকলে আমরা বিয়ে করতে পারি।’

পোস্টে চঞ্চল লিখেছেন, তখন তার বয়সও বাড়ছিল। পরিবার থেকেও বিয়ের জন্য চাপ ছিল। তার বিয়ের সিদ্ধান্তে পুরো পরিবার আনন্দিত হলেও মেয়েটির পরিবারের কয়েকজন রাজি ছিলেন না, কেউ কেউ আবার কিছুটা সম্মত ছিলেন।

শেষ পর্যন্ত নিজেদের সিদ্ধান্তেই বিয়ে করেন তারা। চঞ্চল এও জানান, দুই দফায় বিয়ে হয়েছিল তাদের। প্রথম দফায় আইনি প্রক্রিয়ায় এবং দ্বিতীয় দফায় ধর্মীয় অনুশাসন মেনে।

দাম্পত্য জীবনের ২০ বছর পূর্তিতে স্ত্রী ও ছেলের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এই অভিনেতা। সেখানেও উঠে আসে স্ত্রী-সন্তানদের প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা। লিখেছেন, ‘আমার জন্য কম প্রার্থনা করলেও, আমার বউ, ছেলের জন্য সবাই দোয়া-প্রার্থনা করবেন।’

ডিএ