বিজ্ঞাপন

যেসব কারণে যশের ‘টক্সিক’ সমালোচিত হচ্ছে

যেসব কারণে যশের ‘টক্সিক’ সমালোচিত হচ্ছে

প্রচণ্ড উন্মাদনা আর চার বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে যশের বহুল আলোচিত সিনেমা ‘টক্সিক’। গীতু মোহনদাস পরিচালিত এই বিগ বাজেটের ছবিতে ভারতের দক্ষিণী ও বলিউড তারকাদের মেলা বসলেও বক্স অফিসে তেমন ঝড় তুলতে পারেনি।  

নয়নতারা, কিয়ারা, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়া ও রুক্মিণী বসন্তের মতো জনপ্রিয় তারকাদের সমাগম ঘটিয়েও আসছে তীব্র সমালোচনা। ছবির প্রচারে নয়নতারা ও কিয়ারাসহ পাঁচ গুণী অভিনেত্রীকে সামনে এনে সমতার বার্তা দেওয়া হয়েছিল। তবে পর্দায় তাদের নিজস্ব কোনো গল্প বা সংকট ফুটে ওঠেনি।

ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যশের চরিত্রের সাথে সম্পর্ক কতটুকু শুধুমাত্র তার ওপর ভিত্তি করেই নির্ধারিত হয়েছে এই শক্তিশালী অভিনেত্রীদের স্ক্রিন টাইম। চরিত্রের চেয়ে বড় ‘স্টার যশ’: ছবির শুরু থেকেই যশের হাঁটার ধরন, সংলাপ ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজে ভরপুর ছিল ‘ম্যাস’ ইমেজের ছাপ। 

তবে চরিত্রকে জীবন্ত করে তোলার চেয়ে পর্দায় তার ব্যক্তিগত তারকা-ইমেজ ফুটিয়ে তোলার প্রতি পরিচালকের অতিরিক্ত মনোযোগ ছবির স্বাভাবিক গতি ব্যাহত করেছে। গোলাগুলি, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ আর অ্যাকশনে দর্শক টানার সব উপাদান থাকলেও গল্পে অনুভূতির মারাত্মক অভাব দেখা গেছে। 

একের পর এক অ্যাকশন দৃশ্যের আড়ালে চরিত্রের আবেগ ও সম্পর্কের গভীরতা হারিয়ে গেছে। ট্রেলারে নারী জাগরণ ও স্বাধীনতার ইঙ্গিত দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন মিলেনি। শক্তিশালী ও স্বাধীন নারী হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হলেও তাদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত ও আবেগ ঘুরেফিরে সেই পুরুষ নায়কের কেন্দ্রবিন্দুতেই আটকে থেকেছে।

এমআইকে