পর্দায় অক্ষয় কুমার ও সাইফ আলী খানের যুগলবন্দি যেন দর্শকদের কাছে বাড়তি উন্মাদনা। সেই ১৭ বছর আগে ‘তাসান’ সিনেমায় একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল বলিউডের এই দুই নায়কের। দেড় যুগ পর যখন খবর এলো- একসঙ্গে ফের পর্দায় আসছেন তারা; তখন সিনেপ্রেমীদের প্রত্যাশার পারদ তুঙ্গে ওঠে।
মূলত, প্রিয়দর্শনের পরিচালিত ‘হাইওয়ান’- এর মাধ্যমে এই দুই নায়ক আবার এক পর্দায় এলেন। সিনেমাটি নিয়ে বহু প্রতীক্ষা তৈরি হলেও মুক্তির প্রথম দিনে বক্স অফিসে সেই কাঙ্ক্ষিত উত্তাপ ছড়াতে ব্যর্থ হয়েছে।
বক্স অফিস ট্র্যাকার স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম দিনে স্থানীয় বাজারে (শুধু ভারতে) সিনেমাটির নিট আয় দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩ কোটি রুপি, যার গ্রস কালেকশন ৩.৬০ কোটি রুপি। আর বিশ্বজুড়ে সব মিলিয়ে সিনেমাটির প্রথম দিনের আয় প্রায় ৪.৬০ কোটি টাকা।
এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেক্ষাগৃহে ৭,২২৪টি শো থাকলেও সার্বিক দর্শক উপস্থিতি ছিল মাত্র ১১ শতাংশের কাছাকাছি। প্রায় ১৩০ কোটি টাকা বাজেটের এই ছবিটির এমন ঢিমেতাল সূচনাকে খানিকটা হতাশাজনক বলেই মনে করছেন বাণিজ্য বিশ্লেষকেরা।
২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া অক্ষয়ের ‘ভুল ভুলাইয়া’ (৩.৮৮ কোটি) কিংবা সাইফের ‘তা রা রাম পাম’ (৩.৬৬ কোটি)-এর প্রথম দিনের আয়ের সঙ্গে তুলনা করলেও পিছিয়ে রয়েছে এই নতুন ছবি।
তবে, ‘হাইওয়ান’-এর এই স্বল্প আয়ের নেপথ্যে রয়েছে প্রেক্ষাগৃহে চলমান দুটি আলোচিত সিনেমার দাপট। বিশ্লেষকদের দাবি, মুক্তির ৩৬ দিন পার করেও বক্স অফিসে অবিচল রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে ‘হনুমান অংশ’। এছাড়াও দ্বিতীয় সপ্তাহে পা রাখা ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’-ও ব্যাপক আয় করছে। তাই এই দুই সিনেমার ঝড়ে প্রেক্ষাগৃহে জায়গা করে নিতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে অক্ষয়-সাইফদের।
ডিএ
