২০০১ সালে রূপালি পর্দায় তাকে দেখা গিয়েছিল এক দিনের ‘মুখ্যমন্ত্রী’ হিসেবে। সেই ‘নায়ক’ সিনেমার অনিল কাপুরকে আজও মনে রেখেছে দর্শক। পর্দায় দাপিয়ে রাজনীতি সামলালেও বাস্তবে কিন্তু ভিন্ন পথে হাঁটছেন এই অভিনেতা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাজনীতিতে আসার প্রস্তাব এবং নিজের পেশা নিয়ে সোজাসাপ্টা কথা বলেছেন অনিল।
বিজ্ঞাপন
বলিউডের এই তারকা জানান, রূপালি পর্দার সেই চরিত্রটি এতটাই প্রভাবশালী ছিল যে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকেও তার কাছে বড় বড় প্রস্তাব এসেছিল। কিন্তু সবিনয়ে সেসব ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি।
অনিল কাপুরের মতে, রাজনীতি করার জন্য যে নিষ্ঠা ও সময়ের প্রয়োজন, তা তার নেই। তার কথায়, ‘আমার চেয়েও অনেক যোগ্য মানুষ আছেন, যারা লোকসভা কিংবা রাজ্যসভার সদস্য হতে পারেন। আমি এসব ব্যাপারে একেবারেই নগণ্য।’
বিজ্ঞাপন
‘নায়ক’ সিনেমায় নিজের চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে প্রচুর পরিশ্রম করেছিলেন অনিল। থিয়েটার পরিচালক ফেরোজ আব্বাস খানের কাছে নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিতেন।
অভিনয় যেন দর্শকের কাছে একদম বাস্তবসম্মত ও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে, সেজন্য এক দিনও অনুশীলন বাদ দিতেন না তিনি। অথচ বাস্তব জীবনের রাজনীতির ময়দান নিয়ে তার চিন্তা ভিন্ন।
অনিল জানিয়েছেন, রাজনীতির পরিসরে তিনি খুব একটা স্বচ্ছন্দ নন। এই পেশায় সফল হতে হলে যে পরিমাণ পরিশ্রম ও সময় দিতে হয়, তা তার কাছে চ্যালেঞ্জিং মনে হয়। বরং ক্যামেরার সামনে অভিনয় করতেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
এমআইকে
