বলিউড অভিনেতা রণবীর সিং অভিনীত ব্লকবাস্টার স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’ সিনেমা নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। গুঞ্জন ওঠে, এই সিনেমার চিত্রনাট্য নাকি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কার্যালয় থেকে লেখা হয়েছে। সেই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন সিনেমার প্রবীণ অভিনেতা রাকেশ বেদী।
সম্প্রতি দিল্লিতে আয়োজিত এক সম্মেলনে সিনেমাটি নিয়ে তৈরি হওয়া এই রহস্যের জট খুলেছেন রাকেশ।
সমালোচকদের একাংশ এবং পাকিস্তানি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দাবি নাকচ করে রাকেশ জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মতো জায়গায় এমন কোনো ব্যক্তি নেই যিনি এই ধরনের চলচ্চিত্রের বাণিজ্যিক সংলাপ লিখতে পারেন।
তিনি বলেন, যখন সিনেমাটি সুপারহিট হলো, কিছু মানুষ বলতে শুরু করলেন যে ‘ধুরন্ধর’-এর স্ক্রিপ্ট নাকি পিএমও থেকে লিখে দেওয়া হয়েছে। আমি তাদের জিজ্ঞেস করতে চাই, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কি এমন কেউ আছেন যিনি এই ধরনের সংলাপ লিখতে পারেন? কেউ এই রকম ভাবতেও পারে না!
আদিত্য ধর পরিচালিত এই স্পাই থ্রিলারে ‘জামিল জামালি’ নামক এক ভারতীয় এজেন্টের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাকেশ বেদী, যা সিনেমার গল্পে বড় একটি চমক ছিল। চরিত্রটি নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি সিনেমাটির নির্মাণ প্রক্রিয়ার একটি পর্দার পেছনের তথ্যও শেয়ার করেন এই অভিনেতা।
রাজনীতি, দেশপ্রেম এবং প্রোপাগান্ডার নানা অভিযোগ ও বিতর্ক ছাপিয়ে ‘ধুরন্ধর’ এবং এর সিক্যুয়াল ‘ধুরন্ধর টু’ বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে। আর রাকেশ বেদীর এই বক্তব্যের পর স্পষ্ট হলো, সিনেমার সংলাপ ও সাফল্য শুধুই এর কলাকুশলীদের সৃজনশীলতার ফসল, কোনো রাজনৈতিক কার্যালয়ের অবদান নয়।
ডিএ
