উদ্বোধনের অপেক্ষায় ৫০ মুজিব কিল্লাসহ দুর্যোগপ্রতিরোধী ১৩৫ স্থাপনা

Shahadat Hosen (Rakib)

১৭ আগস্ট ২০২২, ০৪:৪৭ পিএম


উদ্বোধনের অপেক্ষায় ৫০ মুজিব কিল্লাসহ দুর্যোগপ্রতিরোধী ১৩৫ স্থাপনা

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার অংশ হিসেবে ৫০টি মুজিব কিল্লা, ৬০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র ও ২৫টি জেলা ত্রাণগুদাম প্রস্তুত করা হয়েছে / ঢাকা পোস্ট

দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার অংশ হিসেবে মুজিব কিল্লাসহ অনেক স্থাপনা নির্মাণ করছে সরকার। তিনটি প্রকল্পের আওতায় ৫০টি মুজিব কিল্লা, ৬০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র এবং ২৫টি জেলা ত্রাণগুদামসহ ১৩৫টি স্থাপনা ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী ১৩ অক্টোবর ‘আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে এসব স্থাপনা উদ্বোধন করাতে চায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

জানা গেছে, মুজিব কিল্লা নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ৫০টি মুজিব কিল্লা, বন্যাপ্রবণ ও নদীভাঙন এলাকায় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় ৬০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র এবং জেলা ত্রাণগুদাম কাম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তথ্যকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২৫টি জেলা ত্রাণগুদাম নির্মাণ করা হয়েছে।

মুজিব কিল্লা নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ৫০টি মুজিব কিল্লা, বন্যাপ্রবণ ও নদী ভাঙ্গন এলাকায় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় ৬০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র এবং জেলা ত্রাণগুদাম কাম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তথ্যকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২৫টি জেলা ত্রাণগুদাম ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে

এ বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে সম্প্রতি একটি চিঠি পাঠিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। এতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে উদ্বোধনের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে বাস্তবায়িত তিনটি প্রকল্পের আওতায় এসব স্থাপনা প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে প্রকল্পগুলো প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন >> দুর্যোগে সুবর্ণচরবাসীর ভরসা মুজিব কিল্লা

৫০টি মুজিব কিল্লা

১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের হাত থেকে মানুষকে রক্ষায় নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু মাটির কিল্লা নির্মিত হয়, যা মুজিব কিল্লা নামে পরিচিত। কিন্তু দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এবং বেদখল হয়ে যায়। উপকূলীয় ও বন্যাকবলিত অঞ্চলে বর্তমান সরকার মুজিব কিল্লাগুলো সংস্কার, পুনর্নির্মাণ এবং নতুন কিল্লা নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। এরই অংশ হিসেবে ৫০টি মুজিব কিল্লা প্রস্তুত করা হয়েছে।

dhakapost
সিলেটে সাম্প্রতিক সময়ের ভয়াবহ বন্যায় সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়েন লাখ লাখ মানুষ / ছবি- সংগৃহীত

আরও পড়ুন >> দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ এখন রোল মডেল

মুজিব কিল্লার তালিকা

১. তাহেরপুর মুজিব কিল্লা (কলাপাড়া, পটুয়াখালী), ২. নবীপুর মুজিব কিল্লা (কলাপাড়া, পটুয়াখালী), ৩. অনন্তপাড়া মুজিব কিল্লা (কলাপাড়া, পটুয়াখালী), ৪. নুতনপাড়া মুজিব কিল্লা (কলাপাড়া, পটুয়াখালী), ৫. খাপড়াভাংগা মুজিব কিল্লা (কলাপাড়া, পটুয়াখালী), ৬. নলবুনিয়া মুজিব কিল্লা (কলাপাড়া, পটুয়াখালী), ৭. সেরাজপুর মুজিব কিল্লা (কলাপাড়া, পটুয়াখালী), ৮. ছোট বালিয়াতলী মুজিব কিল্লা (কলাপাড়া, পটুয়াখালী), ৯. বৌদ্ধপাড়া মুজিব কিল্লা (কলাপাড়া, পটুয়াখালী), ১০. সোনাপাড়া মুজিব কিল্লা (কলাপাড়া, পটুয়াখালী), ১১. পশ্চিম বাদুরতলী দারোগাবাধ-সংলগ্ন মুজিব কিল্লা (কলাপাড়া, পটুয়াখালী), ১১. পশ্চিম বাদুরতলী লামিওপাড়া হাজি সড়ক সংলগ্ন মুজিব কিল্লা (কলাপাড়া, পটুয়াখালী), ১৩. পশ্চিম সোনাতলা মুজিব কিল্লা (কলাপাড়া, পটুয়াখালী), ১৪. গৈয়াতলা মুজিব কিল্লা (কলাপাড়া, পটুয়াখালী), ১৫. ইউসুফপুর মুজিব কিল্লা (কলাপাড়া, পটুয়াখালী), ১৬. গাববুনিয়া হাওলাদার বাড়ি-সংলগ্ন মুজিব কিল্লা (রাঙ্গাবালী, পটুয়াখালী), ১৭. দক্ষিণ চরগঙ্গা মুজিব কিল্লা (রাঙ্গাবালী, পটুয়াখালী), ১৮. ছাতিয়ান পাড়া মতলেব হাং বাড়ির দরজায় মুজিব কিল্লা (রাঙ্গাবালী, পটুয়াখালী), ১৯. গঙ্গীপাড়া খলিফাবাড়ি সংলগ্ন মুজিব কিল্লা (রাঙ্গাবালী, পটুয়াখালী), ২০. আব্দুল হামিদ পল্লী সংলগ্ন মুজিব কিল্লা (মিঠামইন, কিশোরগঞ্জ) ২১. আসলামপুর মুজিব কিল্লা (চরফ্যাশন, ভোলা), ২২. আইরমঙ্গল ইপাদ সাহায্যপুষ্ট মাটির কিল্লা কাম সাইক্লোন সেন্টার (আনোয়ারা, চট্টগ্রাম), ২৩. এসডিআই কর্তৃক নির্মিত মুজিব কিল্লা (সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম), ২৪. রেডক্রিসেন্ট কর্তৃক নির্মিত মুজিব কিল্লা (সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম), ২৫. নিজেরা করি সংস্থা কর্তৃক নির্মিত মুজিব কিল্লা (সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম), ২৬. (রহমানপুর) পচা কোড়ালিয়া মুজিব কিল্লা (মনপুরা, ভোলা), ২৭. মধ্য জইদন্ডি ইপাদ সাহায্যপুষ্ট মাটির কিল্লা কাম সাইক্লোন সেলটার (আনোয়ারা, চট্টগ্রাম), ২৮. মুসাপুর ভুলাইর গো এলাকার মুজিব কিল্লা (সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম), ২৯. চর জব্বার মুজিব কিল্লা (সুবর্ণচর, নোয়াখালী), ৩০. গাংচিল জাইকা সেন্টার সংলগ্ন কিল্লা (কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী), ৩১. খাজুরা কাঠালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মুজিব কিল্লা (মনিরামপুর, যশোর), ৩২. কলাদহ মির্জা মোস্তফা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে মুজিব কিল্লা (মাদারগঞ্জ, জামালপুর), ৩৩. খানখানাবাদ আইডিয়াল স্কুল মাটির কিল্লা (বাঁশখালী, চট্টগ্রাম), ৩৪. সন্ধিপাড়া সাইক্লোন সেলটার কাম মাটির কিল্লা (বাঁশখালী, চট্টগ্রাম), ৩৫. কাথরিয়া বরইতলী সাইক্লোন সেলটার কাম মাটির কিল্লা (বাঁশখালী, চট্টগ্রাম), ৩৬. ছনুয়া ইউনিয়নে ছনুয়াটেক মুজিব কিল্লা (বাঁশখালী, চট্টগ্রাম), ৩৭. পশ্চিম বাহারছড়া ইফাদ সাইক্লোন সেলটার কাম মাটির কিল্লা (বাঁশখালী, চট্টগ্রাম), ৩৮. চরবোরহান মুজিব কিল্লা (দশমিনা, পটুয়াখালী), ৩৯. চাঁদপুর মুজিব কিল্লা (দশমিনা, পটুয়াখালী), ৪০. কাটাখালী মুজিব কিল্লা (দশমিনা, পটুয়াখালী), ৪১. আউলিয়াপুর মুজিব কিল্লা (দশমিনা, পটুয়াখালী), ৪২. মাজেরচর বারইপুর ২নং আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে মুজিব কিল্লা (ভোলা সদর, ভোলা), ৪৩. মাজেরচর বারইপুর ৩নং ও ৪নং আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে মুজিব কিল্লা (ভোলা সদর, ভোলা), ৪৪. হরণবাড়িয়া মুজিব কিল্লা (পাথরঘাটা, বরগুনা), ৪৫. তামাকুটিলা মুজিব কিল্লা (তালতলী, বরগুনা), ৪৬. বড়দিয়া মুজিব কিল্লা (মহেশখালী, কক্সবাজার), ৪৭. মনিপুর কতুবপুর মুজিব কিল্লা (হাইমচর, চাঁদপুর), ৪৮. ৯নং ওয়ার্ডের নজরুল বেপারির বাড়ির নিকট মুজিব কিল্লা (গোসাইরহাট, শরীয়তপুর), ৪৯. ঝুনগাছ চাপানী ইউনিয়নে ছাতুনামা মুজিব কিল্লা (ডিমলা, নীলফামারী) এবং ৫০. জুমার খুকশিয়া বাজার মুজিব কিল্লা (কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ)।

১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের হাত থেকে মানুষকে রক্ষায় নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু মাটির কিল্লা নির্মিত হয়, যা মুজিব কিল্লা নামে পরিচিত। কিন্তু দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এবং বেদখল হয়ে যায়
dhakapost
মুজিব কিল্লা নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ৫০টি মুজিব কিল্লা নির্মাণ করা হয়েছে / ছবি- সংগৃহীত

বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র

বন্যাপ্রবণ ও নদীভাঙন এলাকায় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় ৬০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। 

সেগুলো হলো- ১. গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার জিগাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ২. কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৩. কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ মহিলা কলেজ বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৪. রাজারহাট উপজেলার হাবিবুর রহমান মডেল কলেজ বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৫. লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৬. পাটগ্রাম উপজেলার ধবলগুড়ি উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৭. সদর উপজেলার ইটাপোতা দাখিল মাদ্রাসা বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৮. দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলার দুহশুহ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৯. ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার ঘোষাইল উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ১০. ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার রাজাপুর বেগম আনোয়ারা গার্লস কলেজ বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ১১. নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার নিয়ামতপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ১২. সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার জামিরতা জহুরা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ১৩. সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার বেগনাই তেঘুরী উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ১৪. সিরাজগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার ছয়দাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ১৫. রাজশাহী জেলার মোহনপুর উপজেলার পারিলাডাংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ১৬. বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার ধুনট ডিগ্রি কলেজ বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ১৭. বগুড়া সদর উপজেলার যশোপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ১৮. টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ি উপজেলার মুশুদ্দি রেজিয়া কলেজ বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ১৯. টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি উপজেলার লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ কলেজ বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ২০. টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার খামারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ২১. টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর উপজেলার নাকশালা জমির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ২২. গাজীপুর জেলার সদর উপজেলার হাজী জমির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ২৩. ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার ধলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ২৪. নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার বালালী বাঘমারা উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ২৫. নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ী উপজেলার আব্দুল জব্বার রাবেয়া খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ২৬. নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার তেলীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ২৭. নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ২৮. নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলার খিলা উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ২৯. নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৩০. মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার কান্দিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৩১. মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মনুমুখ পিটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৩২. মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষার উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৩৩. নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল মজিবুর রহমান ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৩৪. কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ কলেজ বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৩৫. কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার দিঘীরপাড় নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৩৬. কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া কালিয়াচাপড়া চিনিকল মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৩৭. কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার ওয়ার্ড আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৩৮. কিশোরগঞ্জ জেলার তারাইল উপজেলার গজারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৩৯. বি-বাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার লাপাং উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৪০. বি-বাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার লক্ষিমুড়া উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৪১. বি-বাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার বাকাইল উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৪২. কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার জিয়ারকান্দি ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৪৩. নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার কাজী মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৪৪. নরসিংদী সদর উপজেলার চরদিঘলদী সবুজ সাথী স্কুল বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৪৫. ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার দক্ষিণ সতেরো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৪৬. লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৪৭. চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার ইছাপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৪৮. চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার ধলাইতলী জনতা উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৪৯. শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার মাহফুজা মোজাম্মেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৫০. শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার রাহাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৫১. মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার ফুলতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৫২. মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলার কে বি এম উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৫৩. ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার তালমা নাজিমুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৫৪. ফরিদপুর জেলার ভাংগা উপজেলার জাঙ্গালপাশা হাজী আ. মজিদ একাডেমি (হাই স্কুল) বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৫৫. মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার নুর-ই আলম চৌধুরী মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৫৬. সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার আলহাজ আব্দুল মজিদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৫৭. সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার দশগাঁও নওয়াগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৫৮. সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ঈশাকপুর শ্রীরামপুর উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৫৯. চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার মিনজিরিতলা ইসলামিয়া হাকিমিয়া দাখিল মাদ্রাসা বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র এবং ৬০. হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং বি জি এম বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র।

আরও পড়ুন >> বন্যায় ৮৬ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে : ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

dhakapost

বন্যাপ্রবণ ও নদী ভাঙন এলাকায় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় ৬০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রও নির্মিত হয়েছে / ছবি- সংগৃহীত
জেলা ত্রাণগুদাম কাম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তথ্যকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২৫ জেলায় ত্রাণগুদাম নির্মাণ করা হয়েছে। জেলাগুলো হলো- কুমিল্লা, নড়াইল, ফেনী, মেহেরপুর, ঠাকুরগাঁও, নেত্রকোনা, বগুড়া, খুলনা, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ভোলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী, গাজীপুর, চাঁদপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী, পঞ্চগড়, খাগড়াছড়ি, লক্ষ্মীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সিলেট, পাবনা, জামালপুর ও সাতক্ষীরা জেলা

২৫টি জেলা ত্রাণগুদাম

জেলা ত্রাণগুদাম কাম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তথ্যকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২৫ জেলায় ত্রাণগুদাম নির্মাণ করা হয়েছে। জেলাগুলো হলো- কুমিল্লা, নড়াইল, ফেনী, মেহেরপুর, ঠাকুরগাঁও, নেত্রকোনা, বগুড়া, খুলনা, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ভোলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী, গাজীপুর, চাঁদপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী, পঞ্চগড়, খাগড়াছড়ি, লক্ষ্মীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সিলেট, পাবনা, জামালপুর ও সাতক্ষীরা জেলা।

এসব স্থাপনা নির্মাণের বিষয়ে জানতে চাইলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আতিকুল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমরা ৫০টি মুজিব কিল্লা, ৬০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র ও ২৫ জেলায় ত্রাণগুদাম প্রস্তুত করেছি। প্রধানমন্ত্রী সময় দিলে আগামী ১৩ অক্টোবর এগুলোর উদ্বোধন করা হবে।

dhakapost
জেলা ত্রাণগুদাম কাম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তথ্যকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২৫টি জেলা ত্রাণগুদাম ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে / ছবি- সংগৃহীত

এছাড়া এদিন দুর্যোগ সহনশীল মডেল ইউনিয়ন তৈরি কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে বলেও জানান তিনি। আতিকুল হক বলেন, প্রাথমিকভাবে দেশের পাঁচ জেলার পাঁচটি ইউনিয়নে এ কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে ইউনিয়নের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।

এসএইচআর/এমএআর/

Link copied