অন্তর্বর্তী সরকারের সময় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া চার রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিলেও সরকারের সেই সিদ্ধান্ত অমান্য করার অভিযোগ উঠেছে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মো. নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অন্য তিন রাষ্ট্রদূতসহ যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত হাই কমিশনার ইতোমধ্যে দেশে ফিরে আসলেও নাজমুল ইসলাম দেড় মাসেও কর্মস্থল ত্যাগ করেননি। তিনি এখনও মালের বাংলাদেশ হাই কমিশনে নিয়মিত অফিস করছেন এবং দায়িত্ব না ছাড়তে নানাভাবে ‘তদবির’ চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, নাজমুল ইসলাম ঢাকায় ফেরার বদলে আরও অন্তত ছয় মাস মালদ্বীপে থেকে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এজন্য তিনি নতুন কোনো ‘বন্দোবস্ত’ বা রাজনৈতিক সুপারিশের আশ্রয় নিচ্ছেন বলে গুঞ্জন উঠেছে। তার জন্য একটি রাজনৈতিক দল সুপারিশ করেছে বলেও শোনা যাচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া চার রাষ্ট্রদূতের মধ্যে তিনজনসহ যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত হাই কমিশনার ইতোমধ্যে দেশে ফিরে রিপোর্ট করেছেন। তবে, মালদ্বীপে নিযুক্ত হাই কমিশনার মো. নাজমুল ইসলাম প্রত্যাহারের আদেশ পাওয়ার দেড় মাস পরেও দায়িত্ব ছাড়েননি। তিনি সরকারি নির্দেশ অমান্য করে নিয়মিত অফিস করছেন এবং আরও অন্তত ছয় মাস সেখানে থেকে যাওয়ার জন্য রাজনৈতিক তদবির চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তথ্য বলছে, বিএনপি সরকার গঠনের পর গত ৮ মার্চ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগ থেকে চারটি পৃথক আদেশে পর্তুগাল, পোল্যান্ড, মেক্সিকো ও মালদ্বীপে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত যথাক্রমে এম মাহফুজুল হক, মো. ময়নুল ইসলাম, এম মুশফিকুল ফজল (আনসারী) ও মো. নাজমুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়। সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বভার ত্যাগ করে ‘অনতিবিলম্বে’ সদর দপ্তর ঢাকায় প্রত্যাবর্তনের জন্য বলা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাহফুজুল হক, ময়নুল ইসলাম ও মুশফিকুল ফজল ঢাকায় ফিরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রিপোর্ট করেছেন। তাদের মধ্যে মাহফুজুল হক ও ময়নুল ইসলামের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে বুধবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে, হাই কমিশনার নাজমুল ইসলামকে ৮ মার্চের অফিসের আদেশের পরও ঢাকায় ফেরার তাগিদ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ওই চারজনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার আবিদা ইসলামকেও প্রত্যাহার করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বদলি করা হয়। তিনিও ঢাকায় ফিরেছেন।
সরকারের এক কর্মকর্তা বলেন, মালদ্বীপের হাই কমিশনার হয়তো ভেবেছিলেন ঢাকায় ফিরলে তার চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল হতে পারে। সে কারণে হয়তো তিনি ঢাকায় ফেরেননি। শুনতে পাচ্ছি, তিনি আরও কিছুদিন মালদ্বীপে থাকবেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, চুক্তির মেয়াদ থাকাকালীন কোনো কর্মকর্তাকে বিদেশস্থ মিশন থেকে সদর দপ্তরে ফেরার নির্দেশ দেওয়া অনেকটা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মতো। নিয়ম অনুযায়ী, এমন নির্দেশ পাওয়ার পর দ্রুততম সময়ে দায়িত্ব হস্তান্তর করে সদর দপ্তরে রিপোর্ট করতে হয়। এক্ষেত্রে যোগদানের জন্য ছয় দিন এবং ভ্রমণের জন্য এক দিন সময় বরাদ্দ থাকে। বিশেষ প্রয়োজনে অতিরিক্ত সময়ের দরকার হলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে হয় এবং মন্ত্রণালয় তা বিবেচনা করে থাকে। তবে, নির্দেশনার পরও কেউ না ফিরলে মন্ত্রণালয় থেকে বারবার তাগিদ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।
সরকারের আরেকজন কর্মকর্তা জানান, অন্য সবাই নিয়ম মেনে ফিরলেও সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রদূত সরকারি আদেশ উপেক্ষা করছেন। বিধি অনুযায়ী, প্রত্যাহারের আদেশের পরদিন থেকেই তার অফিস করার কথা নয়। অথচ তিনি এখনও অফিস করছেন এবং রাষ্ট্রীয় সব গোপন তথ্য জানার সুযোগ পাচ্ছেন, যা দেশের জাতীয় স্বার্থের জন্য হুমকিস্বরূপ।
নাজমুল ইসলামের নিয়োগ শুরু থেকেই অভিজ্ঞতার ঘাটতি ও দীর্ঘ প্রবাস জীবনের কারণে সমালোচিত ছিল। অভিযোগ আছে, সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ঘনিষ্ঠতা এবং ইউনূস সেন্টারে কাজের সূত্রে প্রধান উপদেষ্টার পূর্ব পরিচিতি কাজে লাগিয়ে তিনি এই পদ বাগিয়ে নেন। এমনকি পেশাদার কূটনীতিকদের বিরোধিতা সত্ত্বেও রাজনৈতিক প্রভাবে তাকে মালদ্বীপে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বাধ্য করা হয়েছিল
প্রসঙ্গত, নাজমুল ইসলাম ২০২৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাই কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হওয়া এই নিয়োগটি শুরু থেকেই ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। বিশেষ করে তার অভিজ্ঞতার ঘাটতি, তরুণ বয়স, তুর্কি স্ত্রী এবং টানা ১০ বছর দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার বিষয়গুলো নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তোলেন। তবে, এসব সমালোচনা আমলে না নিয়েই সরকার তাকে নিয়োগ দেয়।

হাই কমিশনার হওয়ার আগে ৩৪ বছর বয়সী নাজমুল ইসলাম তুরস্কের আঙ্কারা ইলদিরিম বায়েজিদ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। দীর্ঘ এক দশক তুরস্কে কাটানো নাজমুলের সহধর্মিণী সে দেশেরই নাগরিক এবং সেখানে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন।
সাবেক এক কূটনীতিকের (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) মতে, বাংলাদেশে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের যে সংস্কৃতি রয়েছে, তা অনেক ক্ষেত্রে এক ধরনের ‘পুরস্কার’ হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু এই পুরস্কার যোগ্য ব্যক্তিকে দেওয়াটাই বাঞ্ছনীয়। দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থাকা এবং বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করা একজনকে কেন রাষ্ট্রদূত করা হলো, তা নিয়ে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি আরও যোগ করেন, আগের সরকার তাকে নিয়োগ দিলেও বর্তমান সরকার তাকে ঢাকায় ফেরার নির্দেশ দিয়েছে। এই আদেশ অমান্য করা মানে সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন। যদি তিনি তদবিরের মাধ্যমে আরও কিছুদিন থেকে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন, তবে তা হবে একটি ভুল দৃষ্টান্ত, যা ভবিষ্যতে অন্যদেরও একই পথে চলতে উৎসাহিত করবে।
২০২৫ সালের ২৭ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে নাজমুল ইসলামকে দুই বছরের জন্য মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাই কমিশনার হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর ৩ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে ন্যস্ত করে মালেতে হাই কমিশনার পদে চূড়ান্ত নিয়োগের আদেশ জারি করে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, পর্তুগাল ও পোল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হলেও নাজমুল ইসলামের চুক্তি এখনও বহাল আছে। তিনি উল্লেখ করেন, ওই দুই রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সরকারের আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক চুকে গেলেও মালদ্বীপের হাই কমিশনারের বিষয়টি ভিন্ন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি তাকে ঢাকায় ফেরার নির্দেশ দিয়ে থাকে, তবে তা কার্যকর করার দায়িত্বও ওই মন্ত্রণালয়েরই।

এদিকে, সরকারের নির্দেশনা মেনে ইতোমধ্যে ঢাকায় ফিরেছেন পর্তুগালের সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহফুজুল হক ও মেক্সিকোর সাবেক রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী। এই উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকা পোস্টের পক্ষ থেকে তাদের মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে তারা কেউই কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
নাজমুল ইসলামকে হাই কমিশনার করল কারা?
নাজমুল ইসলামকে হাই কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার নেপথ্যে বেশ নাটকীয়তা ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাকে রাষ্ট্রদূত করার প্রাথমিক প্রস্তাবটি দিয়েছিলেন সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তিনি চেয়েছিলেন নাজমুলকে তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠাতে। এজন্য তিনি পেশাদার কূটনীতিক এম আমানুল হককে আঙ্কারা থেকে সরিয়ে অন্য কোথাও বদলি করার প্রস্তাব দেন, যাতে নাজমুলের জন্য সেখানে পথ তৈরি হয়। তবে, তৎকালীন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিন এই প্রস্তাবে সরাসরি অসম্মতি জানান।
নাজমুল ইসলাম ২০২৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাই কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হওয়া এই নিয়োগটি শুরু থেকেই ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। বিশেষ করে তার অভিজ্ঞতার ঘাটতি, তরুণ বয়স, তুর্কি স্ত্রী এবং টানা ১০ বছর দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার বিষয়গুলো নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তোলেন। তবে, এসব সমালোচনা আমলে না নিয়েই সরকার তাকে নিয়োগ দেয়
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজি না হলেও মাহফুজ আলম তার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন এবং বিভিন্নভাবে প্রভাব খাটিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে রাজি করানোর চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পর্যন্ত গড়ায়। প্রধান উপদেষ্টাও নাজমুলকে রাষ্ট্রদূত করার পক্ষে অবস্থান নিলে তৌহিদ হোসেন আর না করতে পারেননি। তবে, তুরস্কের পরিবর্তে তিনি নাজমুলকে মালদ্বীপে নিয়োগ দিতে সম্মত হন। সেই সময় মালেতে রাষ্ট্রদূতের পদটি শূন্য থাকায় সেখান থেকে দ্রুত সম্মতি (এগ্রিমো) চলে আসে। ফলে সব বাধা কাটিয়ে ২০২৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর তিনি মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাই কমিশনার হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

ইউনূস সেন্টারে কাজ করতেন নাজমুল
নাজমুল ইসলামের রাষ্ট্রদূত হওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে তার পুরনো কিছু যোগাযোগ। তিনি একসময় ইউনূস সেন্টারে কর্মরত ছিলেন, যার ফলে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনতেন। পাশাপাশি সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও সখ্যতা ছিল। মূলত এই দুই প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুযোগটিই নাজমুল ইসলাম কাজে লাগিয়েছেন।
নাজমুল ২০১৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পিস অ্যান্ড কনফ্লিক্ট স্টাডিজ বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি তুরস্কের ইলদিরিম বায়েজিদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, নাজমুলের রাষ্ট্রদূত হওয়ার বিষয়টি যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল, ঠিক তখনই তিনি অত্যন্ত কৌশলী অবস্থান নেন। তার নিয়োগ নিয়ে যাতে কোনো প্রশ্ন না ওঠে, সেজন্য তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক থেকে ইউনূস সেন্টারে কাজ করার সময়কার সব ছবি সরিয়ে ফেলেন। এমনকি ড. ইউনূসের সঙ্গে থাকা তার ব্যক্তিগত ছবিগুলোও তিনি ফেসবুক থেকে ডিলিট করে দেন।
তুরস্ক সফরে গিয়ে নাজমুলের বাসায় ছিলেন মাহফুজ
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা থাকাকালে মাহফুজ আলম যখন সরকারি সফরে তুরস্ক যান, তখন তিনি তার বন্ধু নাজমুল ইসলামের বাসায় অবস্থান করেছিলেন। গত বছরের এপ্রিলে ‘আনতালিয়া কূটনৈতিক ফোরাম ২০২৫’-এ অংশ নিতে তৎকালীন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে তিনি দেশটি সফর করেন। সরকারি সফর হওয়া সত্ত্বেও তিনি হোটেলে না থেকে বন্ধুর বাসায় ওঠেন।
আঙ্কারার কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, তুরস্ক সফরকালে নাজমুল ইসলাম সার্বক্ষণিকভাবে তথ্য উপদেষ্টার সঙ্গেই ছিলেন। এমনকি তিনি উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের হয়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও অংশ নেন। বিশেষ করে, আনতালিয়া ফোরামের সাইডলাইনে তুরস্কের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বেরিস একেনসির সঙ্গে মাহফুজ আলমের আনুষ্ঠানিক সাক্ষাতেও নাজমুল উপস্থিত ছিলেন এবং উপদেষ্টার ঠিক পাশের আসনেই বসেছিলেন।
এনআই/এমএআর/
