বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে মনিপাল হাসপাতালের উদ্যোগ

অ+
অ-
বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে মনিপাল হাসপাতালের উদ্যোগ

বাংলাদেশের রোগীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবোটিক চিকিৎসা আরও সহজলভ্য করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ভারতের শীর্ষ বেসরকারি হাসপাতাল নেটওয়ার্ক মনিপাল হাসপাতাল। উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটাতে প্রতিষ্ঠানটি তাদের কার্যক্রম জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির মিলনায়তনে আয়োজিত ‘মনিপাল হাসপাতাল মিডিয়া সামিট বাংলাদেশ’-এ এসব তথ্য জানানো হয়।

এ সময় জানানো হয়, ভারতের বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত মনিপাল হাসপাতালের ৬০০ শয্যাবিশিষ্ট ফ্ল্যাগশিপ ইউনিটটি বর্তমানে ৫৩টি স্পেশালিটি বিভাগে উন্নত সেবা দিচ্ছে। ইউনিটটিতে এরইমধ্যে এক হাজারেরও বেশি রোবোটিক স্পাইন ও অর্থোপেডিক সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে জটিল অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি ‘দা ভিঞ্চি’ রোবট, জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্টের জন্য ‘মাকো’ এবং ভাসকুলার ইন্টারভেনশনে ‘করপাথ’ সিস্টেমের মতো বিশ্বসেরা প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।

মনিপাল হাসপাতালের ইন্টারন্যাশনাল হেলথকেয়ার সার্ভিসেস বিভাগের গ্রুপ অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট বিকাশ তায়ের বলেন, বর্তমানে রোগীরা শুধু চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান না, তারা একটি নিরবচ্ছিন্ন সেবার অভিজ্ঞতা প্রত্যাশা করেন। রোগী ও তাদের পরিবারের জন্য সমন্বিত ও নির্ভরযোগ্য সেবা নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক রোগীদের জন্য ‘অ্যান্ড-টু-অ্যান্ড’ সেবা মডেল চালু করেছে মনিপাল হাসপাতাল। এর আওতায় চিকিৎসার পাশাপাশি ভিসা সহায়তা, যাতায়াত ব্যবস্থাপনা এবং দেশে ফেরার পর ফলোআপ সেবাও দেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে রিজিওনাল হেড (সার্ক) রাম গোপাল বর্ধন বলেন, এআই ও রোবোটিক চিকিৎসার খরচ তুলনামূলকভাবে অন্যান্য চিকিৎসার মতোই হলেও এটি অধিক নির্ভুল ও আধুনিক। তিনি জানান, বাংলাদেশি রোগীর সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। এ কারণে ঢাকা, রাজশাহীসহ বিভিন্ন স্থানে তথ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে।

এছাড়া শিলিগুড়ি ইউনিটের হাসপাতাল ডিরেক্টর সঞ্জয় সিংহ মাহাপাত্র এবং বাংলাদেশে মনিপাল হাসপাতালের সমন্বয়ক খালিদ হাসান জানান, তাদের হাসপাতালে আসা মোট রোগীর প্রায় ৪৮ শতাংশই বাংলাদেশি। ফলে বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে স্থানীয় পর্যায়ে চিকিৎসক সহযোগিতা ও রোগী সহায়তা কাঠামো আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

এমএল/জেডএস