বিজ্ঞাপন

কিডনি ডায়ালাইসিসের শয্যা বাড়ছে মেডিকেল কলেজ ও জেলা হাসপাতালে

কিডনি ডায়ালাইসিসের শয্যা বাড়ছে মেডিকেল কলেজ ও জেলা হাসপাতালে

দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে এবং কিডনি রোগীদের চিকিৎসার সুযোগ প্রসারে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে বিদ্যমান কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার ৫০ শয্যায় উন্নীতি করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার বসানো হবে।

এতদিন মেডিকেল কলেজ ও জেলা সদর হাসপাতালে কিডনি ডায়ালাইসিসি সেন্টারের আসন সংখ্যা নির্ধারণ ছিল না। এবার সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে এবং জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে আসন সংখ্যা সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) “মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে বিদ্যমান কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন (২য় সংশোধন)” প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আওতাধীন এই প্রকল্পটির ২য় সংশোধনীতে ব্যয় ও সময়সীমা দুই-ই বাড়ানো হয়েছে।

প্রকল্পটিতে নতুন করে ব্যয় বাড়ানো হয়েছে ৮১ কোটি ৩০ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। প্রাথমিক অবস্থায় প্রকল্পের মূল প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ২৫৫ কোটি ২২ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। পরবর্তীতে ১ম সংশোধনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৯৪ কোটি ১৬ লাখ ১ হাজার টাকায়। সর্বশেষ ২য় সংশোধনীর মাধ্যমে প্রকল্পের মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭৫ কোটি ৪৬ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে প্রকল্পের মেয়াদও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের কাজ ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নতুন সংশোধনী অনুযায়ী ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই প্রকল্পটিসহ আজকের একনেক সভায় মোট ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদন পাওয়া ৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ হিসেবে ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা সংস্থান করা হবে। ৮টি প্রকল্পের মধ্যে ৩টি নতুন এবং ৫টি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।

উক্ত একনেক সভায় উপস্থিত ছিলেন– অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এসআর/বিআরইউ