বিজ্ঞাপন

ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশব্যাপী প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত এবং জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ‘হোম-টু-হোম হেলথ স্ক্রিনিং’ (ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা) কার্যক্রম চালুর ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ কার্যক্রম পরিচালনায় সরকার ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে, যাদের ৮০ শতাংশই হবেন নারী।

বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের লেক পার্কে ‘হাইজিন ফর হেলথ বাংলাদেশ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কেউ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না। জনগণের স্বাস্থ্যের যত্ন নিশ্চিত করতে এবং ক্যান্সারসহ বিভিন্ন জটিল রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করতে সারা দেশে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে।

তিনি জানান, নিয়োগ পাওয়া নারী স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে নারীদের স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যান্সারের প্রাথমিক পরীক্ষা সম্পর্কে সচেতন করবেন এবং কীভাবে নিজেই প্রাথমিক পরীক্ষা করা যায়, সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীরা বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা বক্স নিয়ে বাড়িতে গিয়ে রক্তচাপ, ওজন, ডায়াবেটিস ও লিপিড প্রোফাইলসহ বিভিন্ন প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, সুস্থ ও জ্ঞানভিত্তিক সমৃদ্ধ জাতি গঠনের পূর্বশর্ত হলো জনসচেতনতা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।

দেশে সিজারিয়ান অপারেশনের হার বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বর্তমানে অধিকাংশ শিশু সিজারের মাধ্যমে জন্ম নিচ্ছে। কিন্তু জন্মের পর অনেক নবজাতক মায়ের প্রথম দুধ (শালদুধ) থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মায়েদের কর্মব্যস্ততা, অবহেলা ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে মাতৃদুগ্ধ পান করানোর হার কমছে, যা শিশুদের পুষ্টিহীনতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন– মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০২৬ সামানজার সাঈদ, গুলশান সোসাইটির সভাপতি ওমর সাদাত, মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিরেক্টর আজরা মাহমুদ, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম এবং গুলশান সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মৃধা।

এমএল/বিআরইউ