বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের চেয়ারম্যান মাহবুবের রহমান শামীম বলেছেন, আমরা এমন একটি আগামীর বাংলাদেশ দেখতে চাই, যেখানে চিকিৎসার অভাবে কোনো মানুষের প্রাণ হারাতে হবে না, কোনো অন্তঃসত্ত্বা মায়ের মৃত্যু হবে না এবং কোনো নবজাতক মায়ের কোল খালি করে চলে যাবে না বলে জানিয়েছেন
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে নগরের বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আওতাধীন জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতাল পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, সবার জন্য সহজলভ্য ও উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করে এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যা পৃথিবীর বুকে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। কারণ, সবার স্বাস্থ্যই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, রেড ক্রিসেন্টের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে দুর্যোগ ও সংকটের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, একসময় জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতালের সেবার মান অনেকটাই উন্নত ছিল, যা অনেক সরকারি হাসপাতালের চেয়েও প্রশংসনীয় ছিল। আমাদের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে সেই হারিয়ে যাওয়া গুণগত মান আবারও ফিরিয়ে আনা।
তিনি আরও বলেন, আন্দরকিল্লা চট্টগ্রাম শহরের কেন্দ্রবিন্দু। এ এলাকায় যদি উন্নত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়, তবে চিকিৎসার জন্য মানুষকে অন্যত্র ছুটতে হবে না।
জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, হাসপাতালের সেবার মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না। রোগীদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে। জেমিসন মাতৃসদন হাসপাতালকে আরও আধুনিক, জনবান্ধব ও আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাধীন রোগীদের খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে সেবার মান বাড়াতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পরে হাসপাতালের সামগ্রিক চিকিৎসাসেবা, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি মতবিনিময়সভাতেও অংশ নেন তিনি।
এ সময় জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতালের পরিচালনা কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বাবর, ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ও চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. নাজ সোহানী সুলতানা, প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দৌলা সুজন ও সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এমআর/আরএফ
