বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ছাড়িয়েছে ১৬ কোটি, মৃত্যু ৩৩ লাখ ৫৮ হাজার

Dhaka Post Desk

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৪ মে ২০২১, ১০:৪৮


বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ছাড়িয়েছে ১৬ কোটি, মৃত্যু ৩৩ লাখ ৫৮ হাজার

গত প্রায় দেড় বছর ধরে চলা করোনা মহামারিতে এ পর্যন্ত বিশ্বে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ কোটি ১৮ লাখ ২৫ হাজার ২৩ জন, মারা গেছেন মোট ৩৩ লাখ ৫৮ হাজার ৫২০ জন। এছাড়া এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ১৩ কোটি ৯৬ লাখ ২৩ হাজার ১০১ জন।

মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে এ রোগে মোট আক্রান্ত, মৃত্যু ও সেরে ওঠা রোগীদের সংখ্যা সম্পর্কিত হালনাগাদ তথ্য প্রদানকারী ওয়েবসাইট করোনাভাইরাস ওয়ার্ল্ডোমিটার এই তথ্য জানিয়েছে।

ওয়েবসাইটটির তথ্য বলছে, করোনায় আক্রান্তের হিসেবে গত এক সপ্তাহে ২৫ লাখেরও বেশি আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে বর্তমানে শীর্ষে আছে ভারত। গত এক সপ্তাহে ভারতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৫ লাখ ৬০ হাজার ৮৩৫ জন, মারা গেছেন ২৮ হাজার ২৭৯ জন।

ভারতের চেয়ে অনেক আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে এই তালিকায় বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে ব্রাজিল। গত এক সপ্তাহে দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম এই দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ২৭ হাজার ৮০৪ জন, মারা গেছেন ১৩ হাজার ৪২০ জন।

এখন পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্ত ও এ রোগে মৃত্যুর তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশ যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আসছে করোনা সংক্রমণ। দেশটিতে গত এক সপ্তাহে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসেব সেই তথ্যই জানাচ্ছে। গত সাত দিনে যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫৩৫ জন, মারা গেছেন ৪ হাজার ৩৭৬ জন।

এছাড়া অন্যান্য যেসব দেশে গত সাত দিনে এক লাখের বেশি আক্রান্ত ও হাজারের অধিক মৃত্যু হয়েছে সেগুলো হলো— আর্জেন্টিনা (আক্রান্ত ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫২১, মৃত্যু ২ হাজার ৯৯১), কলম্বিয়া (আক্রান্ত ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৮, মৃত্যু ৩ হাজার ৩৪৬), ফ্রান্স (আক্রান্ত ১ লাখ ১৩ হাজার ৩৯, মৃত্যু ১ হাজার ৩৮৪), ইরান (১ লাখ ১১ হাজার ৯৮৯, মৃত্যু ২ হাজার ৫৫৫) এবং তুরস্ক (আক্রান্ত ১ লাখ ৬ হাজার ১৪, মৃত্যু ২ হাজার ৪৫০)।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম শনাক্ত হয় প্রাণঘাতী সার্স-কোভ-২ ভাইরাস, যা বিশ্বে সাধারণভাবে পরিচিতি পায় করোনাভাইরাস নামে। শনাক্ত হওয়ার তিন মাসের মধ্যে বিশ্বজুড়ে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাসটি।

যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ অভিযোগ করে আসছে, চীনের গবেষণাগারে এই ভাইরাসটি কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে, তবে চীন বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, প্রাকৃতিকভাবেই আবির্ভাব ঘটেছে সার্স-কোভ-২ ভাইরাসটির।

গবেষণায় দেখা গেছে, গত দেড় বছরে কয়েকবার অভিযোজনের (মিউটেশন) মধ্যে দিয়ে গিয়েছে সার্স-কোভ-২। এর ফলে ভাইরাসটির কয়েকটি নতুন ধরন শনাক্ত হয়েছে ব্রিটেন, ব্রাজিল, সাউথ আফ্রিকা, ভারতসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক জীবানু বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মূল করোনাভাইরাসের তুলনায় এর ধরনগুলো আরো বেশি সংক্রামক ও প্রাণঘাতী।

এসএমডব্লিউ

Link copied