• সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    জেলার খবর
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস

বিজ্ঞাপন

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. কামরুল ইসলাম

গোপনীয়তার নীতিব্যবহারের শর্তাবলিযোগাযোগআমাদের সম্পর্কেআমরাআর্কাইভবিজ্ঞাপন

৯৫ সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ, বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোন, ঢাকা ১২১২।

+৮৮০ ৯৬১৩ ৬৭৮৬৭৮

phone+৮৮০ ১৩১৩ ৭৬৭৭৪২

whatsapp+৮৮০ ১৭৭৭ ৭০৭৬০০

info@dhakapost.com

বিজ্ঞাপন

  1. আন্তর্জাতিক

‘রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ ভিত্তিহীন’, জাতিসংঘের আদালতে দাবি মিয়ানমারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩:১৯
অ+
অ-
‘রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ ভিত্তিহীন’, জাতিসংঘের আদালতে দাবি মিয়ানমারের
জাতিসংঘের আদালতে মিয়ানমারের আইনজীবী কো কো হ্লেইং

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে দেশটির সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে গণহত্যার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) সেটিকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন মিয়ানমারের আইনজীবী কো কো হ্লেইং।

বিজ্ঞাপন

সামরিক বাহিনীর অভিযানের জেরে যেসব রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন, তাদের দেশে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেছেন হ্লেইং।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের জুলাই মাসে বাংলাদশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের কয়েকটি পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে বোমা হামলা হয়েছিল। সশস্ত্র রোহিঙ্গাগোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-কে এই হামলার জন্য দায়ী করে মিয়ানমারের সরকার। পরে এ হামলার জের ধরে ওই মাসেই রাখাইনে বাংলাদেশ- মিয়ানমার সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

অভিযানের নামে সাধারণ রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে বর্মী সেনাবাহিনীর লাগাতার হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগের সামনে টিকতে না পেরে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশসহ আশপাশের বিভিন্ন দেশে পালাতে শুরু করে। বাংলাদেশ সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিলেন সে সময়। তারা এখনও বাংলাদেশেই আছেন।

বিজ্ঞাপন

২০১৭ সালে বেসামরিক রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযানের পরপরই জাতিসংঘের একটি অনুসন্ধানী দল এ ঘটনার তদন্ত করেছিল। সেই দলের তদন্ত প্রতিবেদনে সেনাবাহিনীর অভিযানকে ‘গণহত্যামূলক তৎপরতা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের অনুসন্ধানী দলের সেই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে ২০১৯ সালে বৈশ্বিক আদালতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলা করেছিল পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিায়া। গত ১২ জানুয়ারি সোমবার থেকে সেই মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। এই মামলায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর আইনজীবী হিসেবে শুনানিতে উপস্থিত থাকছেন কো কো হ্লেইং।

মঙ্গলবারের শুনানিতে নিজের বক্তব্য দেওয়ার সময় হ্লেইং বলেন, “২০১৭ সালে আরাকানে যা ঘটেছিল— তা ছিল সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান। ওই বছর জুলাই মাসে মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য রাখাইনে পুলিশ ও সেনাছাউনি লক্ষ্য করে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে রাখাইনকে সন্ত্রাসীদের দখলে যেতে দেওয়ার জন্য অলস হয়ে বসে থাকা মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর পক্ষে সম্ভব ছিল না।”

বিজ্ঞাপন

“২০১৭ সালের জুলাই-আগস্ট-সেপ্টেম্বরে রাখাইনে ক্লিয়ারিংস অপারেশন হয়েছে। ‘ক্লিয়ারিং অপারেশন্স’ একটি সামরিক পরিভাষা, যার অর্থ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমন করা। কিন্তু এই অপারেশনকেই গণহত্যা বলে বহির্বিশ্বে চালানো হয়েছে, যা মিয়ানমার ও মিয়ানমারের জনগণকে অমোচনীয় কলঙ্কে কলঙ্কিত করেছে।”

শুনানিতে হ্লেইং আরও বলেন, “বর্তমানে যেসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশের আশ্রয়শিবিরে অবস্থান করছেন, তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে মিয়ানমারের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকারের পক্ষ থেকে একাধিকবার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে, কিন্তু কোভিড ১৯ সহ বিভিন্ন পারিপার্শিক কারণে সেসব উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।”

সূত্র : বিবিসি

এসএমডব্লিউ

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

মিয়ানমাররোহিঙ্গাজাতিসংঘ

ফলো করুন

MessengerWhatsAppGoogle News

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

রোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও এগিয়ে আসতে হবে

জাতিসংঘের দূত টম অ্যানড্রুজরোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও এগিয়ে আসতে হবে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হতে জার্মানি-ডেনমার্কের সমর্থন চায় ঢাকা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হতে জার্মানি-ডেনমার্কের সমর্থন চায় ঢাকা

রোহিঙ্গাদের জন্য জাতিসংঘের ৫ সংস্থাকে ১৬.৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিল জাপান

রোহিঙ্গাদের জন্য জাতিসংঘের ৫ সংস্থাকে ১৬.৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিল জাপান

উখিয়া ক্যাম্পে পালিয়ে এলো ৬ রোহিঙ্গা

উখিয়া ক্যাম্পে পালিয়ে এলো ৬ রোহিঙ্গা