ইরানের গণতান্ত্রিক হওয়ার দরকার নেই, ধর্মীয় নেতাতেও আমার সমস্যা নেই তবে…

ইরানের নতুন নেতা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র এখন এমন একজনকে খুঁজছে যিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সম্মান জানাবে। এমনটি হলে তিনি যদি ধর্মীয় নেতা হন তাহলেও সমস্যা নেই। এছাড়া ইরানকে গণতান্ত্রিক দেশও হতে হবে না। শুধুমাত্র ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে সম্মান জানালে হবে।
গতকাল শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে ট্রাম্প বলেন, “গত এক সপ্তাহ আগে ইরান যেমন ছিল, এখন আর তেমন নেই। এক সপ্তাহ আগে তারা অনেক শক্তিশালী ছিল। এখন তাদের দমিয়ে ফেলা হয়েছে।”
ইরানের নতুন নেতা নির্বাচনে তাকে যুক্ত রাখতে হবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, যিনি নতুন নেতা হবেন তিনি অনেকটা ভেনেজুয়েলার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের মতো কাজ করবেন। গত জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে মার্কিন সেনাবাহিনী। এরপর ডেলসি প্রেসিডেন্ট হন। যিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করছেন।
ট্রাম্প বলেছেন, “এটি খুব সহজে কাজ করবে। ইরানের বিষয়টি অনেকটা ভেনেজুয়েলায় আমরা যা করেছি সেটির মতো হবে। এ মুহূর্তে সেখানে আমাদের একজন অসাধারণ নেতা আছেন। তিনি খুব ভালো করছেন। ইরানের বিষয়টি ভেনেজুয়েলার মতো কাজ করবে।”
আর এ নেতা যদি আয়াতুল্লাহ খামেনির মতো ধর্মীয় নেতা হন তাতেও সমস্যা নেই উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেছেন, “এ ব্যাপারে কোন ব্যক্তি নেতা হচ্ছেন, সেটির ওপর নির্ভর করবে। আমার ধর্মীয় নেতা নিয়ে সমস্যা নেই। আমি অনেক ধর্মীয় নেতার সঙ্গে কাজ করি। যারা অসাধারণ।”
ওই নেতা ও ইরানকে গণতান্ত্রিক হতে হবে কি না এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে সিএনএনকে তিনি বলেন, “না গণতান্ত্রিক হতে হবে না। আমি বলছি এমন একজন নেতা হতে হবে, যা ভালো হবে। তিনি ভালো কাজ করবেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ভালোভাবে সম্মান দিতে হবে এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোকে, আমাদের মিত্রদের সম্মান করবে।”
তিনি সিএনএনের কাছে দাবি করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো তাদের হয়ে লড়া্ই করছে।
সূত্র: সিএনএন
এমটিআই