ইরানের ১৪৩ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি আমিরাতের

ইরানের সামরিক বাহিনীর ছোড়া অন্তত ১৫টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ১১৯টি ড্রোন প্রতিহত করার দাবি জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। শনিবার এসব ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শনিবার (৭ মার্চ) ১৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে। এর মধ্যে ১৫টি প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে এবং একটি ক্ষেপণাস্ত্র সাগরে পড়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ১২১টি ড্রোন শনাক্ত করেছে। এর মধ্যে ১১৯টি প্রতিহত করা হয়েছে এবং বাকি দুটি আমিরাতের ভূখণ্ডে আছড়ে পড়েছে।
• ইরানের হামলায় ৩০ কোটি ডলারের মার্কিন রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস
উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৩০ কোটি ডলারের একটি রাডার ব্যবস্থা হামলা চালিয়ে ধ্বংস করেছে ইরান। যা ভবিষ্যতে হামলা প্রতিহত করার আঞ্চলিক সক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, সিএনএনের বিশ্লেষিত স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, যুদ্ধের শুরুর দিকেই জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত আরটিএক্স করপোরেশনের এএন/টিপিওয়াই-২ রাডার ও ব্যাটারিসহ সহায়ক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়ে গেছে।
মার্কিন এক কর্মকর্তা পরে ওই সরঞ্জাম ধ্বংসের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ব্লুমবার্গ বলেছে, বিশ্বজুড়ে মোট আটটি থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের; যার মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া ও গুয়ামও অন্তর্ভুক্ত।
সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি ব্যাটারির মূল্য প্রায় এক বিলিয়ন ডলার; যার মধ্যে প্রায় ৩০ কোটি ডলার রাডারের জন্য ব্যয় হয়।
সূত্র: এএফপি।
এসএস