বিজ্ঞাপন

নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করলেন সৌদি যুবরাজ-জেলেনস্কি

অ+
অ-
নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করলেন সৌদি যুবরাজ-জেলেনস্কি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে ইরানি ড্রোন থেকে সৌদির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী ও ক্রাউনপ্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। সৌদি প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এএফপি।

বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার অঘোষিত এক সফরে সৌদির উপকূলীয় শহর জেদ্দায় এসে পৌঁছান জেলেনস্কি। সেখানে ক্রাউনপ্রিন্স তাকে স্বাগত জানান এবং তাদের মধ্যে বৈঠক হয়।

বৈঠকে জেলেনস্কি বলেন, ইরান থেকে নিক্ষিপ্ত ড্রোন থেকে সৌদিকে সুরক্ষা দিতে প্রস্তুত আছে ইউক্রেন। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের শুরু থেকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত এবং জর্ডানে কাজ করছেন ইউক্রেনীয় বিশেষজ্ঞরা ইতোমধ্যে তারা তাদের কাজে পারদর্শিতা দেখিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ এবং পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে কাজ করছেন ২ শতাধিক ইউক্রেনীয় বিশেষজ্ঞ, যারা ইরানি ড্রোন আটকানো ও ধ্বংসে বিশেষভাবে পারদর্শী।

বিজ্ঞাপন

সৌদি আরবের এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, জেলেনস্কি এবং সৌদি যুবরাজের বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে এবং উভয় দেশ একটি নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।

জেলেনস্কি নিজেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চুক্তি স্বাক্ষরের তথ্য নিশ্চিত করেছেন, তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।

ইউক্রেনের এক কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে এএফপিকে বলেছেন, “এটা শুধু ড্রোন আটকানোর ব্যাপার নয়, বরং এখানে (চুক্তি) একটি সিস্টেম গড়ে তোলার ব্যাপারে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এমন একটি সিস্টেম, যা অন্যান্য সিস্টেম, বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র সুরক্ষা বিষয়ক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করবে।”

বিজ্ঞাপন

উল্লেখ্য, গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধে ইরানি ড্রোনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করছে রাশিয়া। এমনকি ইরানি বিভিন্ন পাল্লার ড্রোন তৈরির জন্য কারখানাও স্থাপিত হয়েছে রাশিয়া।

ইরানি ড্রোনের আঘাত সহ্য করতে করতে এই ড্রোনের প্রযুক্তি সম্পর্কে ব্যপারে রীতিমতো বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠেছে ইউক্রেন। বর্তমানে ড্রোন-বিধ্বংসী এয়ার ডিফেন্স প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ইউক্রেনকে ‘বৈশ্বিক নেতা’ বলে বিবেচনা করা হয়। এমন কিছু বিশেষ এয়ার ডিফেন্স প্রযুক্তি ইউক্রেন তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে— যেগুলো শুধুমাত্র ইরানি ড্রোন ধ্বংসের ক্ষেত্রে অব্যর্থ।

সূত্র : এএফিপি

এসএমডব্লিউ