ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া দগ্ধ হয়েছেন বেশ কয়েকজন। আগুন নেভার পর সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে পুলিশ ও স্থানীয়রা।
উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া শোয়েব নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, হোটেলটির একটি বাথরুম থেকে এক যুগলের মরদেহ উদ্ধার করেছেন তারা। যারা মৃত্যুর সময় একেঅপরকে আঁকড়ে ধরে রেখেছিলেন। নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও কেউ কাউকে একা ফেলে যাননি।
তিনি বলেছেন, ওই দুইজন আগুনে পুড়ে মারা যাননি। তাদের মৃত্যু হয়েছে ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে।
শোয়েব বলেন, “আগুনে নয়, তাদের মৃত্যু হয়েছে ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে। আমরা ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে যাই। সেখানে একটি বাথরুম লক্ষ্য করি যেটি ভেতর থেকে লাগানো ছিল। বাথরুমের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আমরা একটি যুগলকে খুঁজে পাই। তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলেন।”
শোয়েব আরও বলেন, “নারীটি টয়লেটের সিটের ওপর বসে ছিলেন। আর পুরুষটি একটি চেয়ারে বসা ছিলেন। তিনি নারীটিকে খুব শক্তভাবে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলেন। আমাদের ধারণা আগুন থেকে বাঁচতে তারা বাথরুমের ভেতর ঢুকে সেটির দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। আমরা তাদের একেঅপরকে জড়িয়ে ধরা অবস্থায় পাই।”
যেহেতু আগুনে দগ্ধ হননি। তাই তাদের তাৎক্ষণিকভাবে সিপিআর দেওয়া হয়। কিন্তু তাদের শ্বাস-প্রশ্বাস আর ফেরেনি। এর আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছিল।
শোয়েব বলেন, “তারা আগুন থেকে বাঁচতে পেরেছিল। কিন্তু সম্ভবত দমবন্ধ হয়ে মারা গেছেন। ধোঁয়ার কারণে তাদের দেহ কালো হয়ে গিয়েছিল।”
সূত্র: এনডিটিভি
এমটিআই
