ভারতের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে মিয়ানমারের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লেইং।
গত ১ জুন সোমবার নয়াদিল্লির হায়দারাবাদ হাউসে নরেন্দ্র মোদি এবং মিন অং হ্লেইংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে।
২০২০ সালের নভেম্বরের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চি’র নেতৃত্বাধীন সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে দেশটির সেনাবাহিনী। মিন অং হ্লেইং সে অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
ক্ষমতা দখলের প্রায় ৫ বছর পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করে সামরিক বাহিনী। সেই নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রেসিডেন্ট হন মিন অঙ হ্লেইং। গত ১০ এপ্রিল মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ করেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে গত ৩০ মে শনিবার ভারতে এসেছেন মিন অং হ্লেইং। তাকে বহনকারী বিমানটি ভারতের বিহার রাজ্যে অবতরণ করেছিল। সেখানে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল তাকে স্বাগত জানান।
বিহারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান বুদ্ধগয়া এবং মহাবোধি মন্দির পরিদর্শন শেষে রাজধানী নয়াদিল্লিতে আসেন হ্লেইং।
নয়াদিল্লিতে আসার পর প্রথম ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রাহ্মনিয়্যম জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট। বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় জয়শঙ্কর বলেন, “প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লেইংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে খুশি হয়েছি। মিয়ানমারের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের সহযোগিতাপূর্ন সম্পর্কের প্রতি তার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করছি। দুই দেশের শান্তি, উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য আমাদের অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর বৈঠকের অপেক্ষায় রইলাম।”
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া
এসএমডব্লিউ
