বিজ্ঞাপন

অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতার শিকার এক বাংলাদেশি পরিবার

আত্মীয়কে বাঁচাতে কিডনি দিতে যান দিল্লিতে, আগুনে পুড়ে নিজেই এখন আইসিইউতে

আত্মীয়কে বাঁচাতে কিডনি দিতে যান দিল্লিতে, আগুনে পুড়ে নিজেই এখন আইসিইউতে

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে গত বুধবার আগুনে পুড়ে ২১ জনের মৃতু হয়েছে। যার মধ্যে বেশিরভাগই বিদেশি। নিহতদের মধ্য অন্তত একজন বাংলাদেশি রয়েছেন। এছাড়া আহত অবস্থায় আইসিইউতে আছেন আরও কয়েকজন।

দিল্লির হোটেলের ওই আগুনের ভয়াবহতার শিকার হয়েছে এক বাংলাদেশি পরিবার। ওই পরিবারের একজন প্রাণ হারিয়েছেন। আর কয়েকজন আহত অবস্থায় হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছেন।

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া রোববার (৭ জুন) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মোশাররফ হোসেন নামে ৪২ বছর বয়সী এক ব্যক্তি দিল্লিতে নিজের কিডনি প্রতিস্থাপন করতে গিয়েছিলেন। তার সঙ্গে গিয়েছিলেন তার স্ত্রী রেহানা। এতে তাদের সফরসঙ্গী হয়েছিলেন তাদের আত্মীয় মোহাম্মদ নুরুল আমিন।

দিল্লির একটি হাসপাতালে মোশাররফের কিডনি প্রতিস্থাপন করার কথা ছিল। আর তাকে কিডনি দান করছিলেন তারই আরেক নারী আত্মীয়। যে নারী কিডনি দিতে গিয়েছিলেন তার সঙ্গে ঢাকা থেকে দিল্লি গিয়েছিলেন তার মেয়ে।

তারা সবাই দিল্লির ওই হোটেলের আগুনে আহত হয়েছেন।

টাইমস অব ইন্ডিয়া বলেছে, আগুনে পুড়ে নুরুল আমিন মারা গেছেন। আর যে নারী অন্যের জীবন বাঁচাতে কিডনি দান করতে গিয়েছিলেন তিনি গুরুতর আহত হয়ে এখন হাসপাতালের আইসিইউতে আছেন। তিনি নিজে এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।

মোহাম্মদ রবিউল নামে মোশারফের এক আত্মীয় সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছেন, “গত বুধবার (অগ্নিকাণ্ডের দিন) সকালে হাসপাতালে যাওয়ার আগে, তারা সবাই হাউজ রানি বেডে সকালের খাবার খাচ্ছিলেন। ওই সময় আগুন লেগে যায়। আগুনে নুরুল আমিন মারা গেছেন। যিনি কিডনি দিতে গিয়েছিলেন তিনি, তার মেয়ে ও রেহানা দগ্ধ হয়ে এখন আইসিইউতে আছেন। মোশারফ হোসেনও (রোগী) আহত হয়েছেন। কিন্তু অন্যদের অবস্থা তার চেয়ে ভালো। আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া নুরুল আমিনের স্ত্রী ও তিন সন্তান আছে।”

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

এমটিআই